উীজীল্লামক্ককও সংস্পর্শে

দ্েজ পাবলিশিং ॥কলিকাভা৭,,০৯

খগাথম প্রকাশ £: আশ্বিন, ১৩১৬, সেপ্টেম্বর, ১৯০৯ প্রচ্ছদ £ প্রবীর মেন প্রচ্ছদ মুজ্রণ : ইন্প্রেসন হাউস ্বত্ব : গ্রস্থকার

প্রকাশক : স্থ্ধাংশশেখর দে, ০দ'জ পাবলিশিং, ১৩ বক্ষিম চ্যাটার্জি - ট, কঙল্িকাত। +০০*৭৩ সুজ্াকর £ হরেজ্জলাথ দাস, বাণীব্ধপা প্রেস, ৯এ, ফনোমোছুল বন্থু স্ট্রাট, কলিকাতা ৭০ * ০৬

উৎসর্গ

শ্রথামকৃষ মঠ মিশনের লোকান্তরিত পৃজনীয় নবম অধ এবং মদীয় প্রেমময় শ্রীগ্ুরু শ্রীমৎ স্বামী মাধবানন্দ মহারাজের অমর পবিভ্র স্মৃতির উদ্দেশে এই গ্রন্থখান পরম শ্রদ্ধা সহকারে উৎতসগাঁকৃত হইল _নির্মল

নিবেদন নমে। ভগবতে রামকুঞ্জায়

পীশ্রীঠাকুর বলতেন - “ভক্তের হুদয়, ভগবানের বৈঠকখান।।” আবার মা- ভবতারিণীর কাছে প্রার্থনা করতেন- “মা, আমি ভক্তের রাজ হব।” বলা বাহুল্য, এই গ্রন্থে সেই ভক্ত প্রুসঙ্গই করা হয়েছে।

শ্রীরামকুষ্ত_ এই মহানামের অমোঘ আকর্ষণে, অণবা তীর প্রতিকৃতি দর্শন করে, অথবা তার মহা1ভাবের পরিচয় পেয়ে আধুনিককালেও পৃথিবীর অসংখ্য নর-নাগী শ্রীশ্রঠাকুরের প্রতি বিশেষভাবে আকৃষ্ট তীর অকপট অবস্থাতেও য্দ কেবলমাত্র তার নাম বা কথা শুনেই দেশ-বিদেশে তার ভক্ত বা অনুরাগীর সংখ্যা এতকাল পরেও দিন দিন বৃদ্ধি পেতে থাকে, তবে ভার গ্রকট অবস্থায় ধারা তার সংম্পর্শে এসেছিলেন, তাকে দর্শন করেছিলেন, তাকে ভাঁলবেসেছিঞ্েন, অথব। তার কপালাভ কনেছিলেন, তার ন'জানি ভাগ্যবান বা ভাগ্যবতী! খাদের এই পরম সৌভাগ্য হয়েছিল তারা কারা? ধাদের হৃদয়ের বৈঠকখানায় ভগবান শ্রাবাহকুঞ্জ বিরাজ বরে।ছলেন তার! কাবা?

কথামৃত প্রণেতা ভঞ্ডপ্রবর মাষ্টারমশাই শ্রমহেশ্রনাথ গুধ্ের ভাষায় “এখন তে] কত লোক তার নাম কংছে! কিন্তু যারা এদিনে তাকে ভালবাসতো তার] কঙবড় লোক ! এম্বয €৫কাশ হলে তো! সকলেই ভালবাসে ! দক্ষিণেখরে ঠাকুর পড়ে আছেন? সাত টাক মাইনে- আবার উন্মাদ, তখন যারা তাকে [চনেছিল তারা কে গো ?- তার] সামান্য লোক নয়।” (শ্রাম দর্শন, ৮ঘ খণ্ড)

বলা আবশ্থুক, শ্রশ্রঠাহুরের কৃপায় সেই চেশা-অচেণা, স্বত-বিশ্বৃত বকছে পারটয় সংগ্রহ কগার এক]স্তিক ইচ্ছ। এবং অন্তরের প্রেরণায় এই গ্রন্থ রচপার কাছে ভ্রতা হই। [কন্ত কাজটি ধে কত ছুরূহ, তা ?চপার কালেই বুঝতে পেরেছিলাম কারণ তৎকালীন সমাজের পকলশ্রেণী9 অজম্্র নবশারী সমাবেশ ঘটেছিল ঠাকুর শ্রীপামকৃষের কাছে। রাজ্জা, জমিদার, মনীবী, মহাত্বা, চিন্তাশীল, কবি, দার্শনিক, গায়ক, বাদক থেকে শ্বরু করে লম্পট, দন, এণ্া, পণ্ডিতা, মেখর অবধি সমাজের সর্বস্তরের মানুষ এসেছিল এট! ঠাক শ্রারামরুষ্ের মহাভাবেরই প্রভাব _যুগ-গ্রয়োজনেই এটি একটি অলৌকিক ঘটনা। ঘিনি জন্ম-মৃত্যু রহিত, সেই ভূমার ভূমিতে অবতব্ণ কেবলমাত্র জাঁব-

( সাত)

কল্যাণের জন্ত “সম্ভবামি যুগে যুগে*-এই ভাগবত প্রতিশ্রতি রক্ষার জন্যই তার মর্ভ জীবনলীলা। “বত মত, তত পথ” - এই মহামন্ত্রের উদগাত! ঠাকুর শ্রীরামরুষ ছিলেন সকলের কাছাকাছি _ সর্বসাধারণের ঠাকুর কোন বিশেষ সম্প্রদায়ের বা! বিশেষ শ্রেণীতৃক্কের নিজন্ব কিছু নন এবং বর্তমানেও ঠিক একই- ভাবে তিনি সকলের ঠাকুররূপেই সমাদৃত ব! পৃজিত। স্থতরাং ঠাকুরের তৎকালীন দমুঙ্য় সান্িধ্যকাবীদের পরিচয় সংগ্র করার চেষ্টা বাতুলতারই সামিল। তবুও তার লীল! রসে সম্বন্ধ মহাভাব-জীবনে তীর পৃত সঙ্গলাভীদের ঘে-কয়জনের পরিচয় শংগ্রহ করা সম্ভব হয়েছে, সেই পরিচয়ের পুষ্পগুলিকে ধানাধ্য সঞ্চয়ন করে কয়েকটি *স্তবক” রচনার কাজে আমি “মালী'র ভূমিক! গ্রহণ করেছি মাত্র। পরম উৎসাহ ধৈর্য সহকারে এই ছুঃসাহসিক, অথচ পবিন্র কাজটিকে সাধনারূপে গ্রহণ করে কয়েক বপর ঘাবৎ আমাকে রামরুষঃ মাহিত্যের মহাসাগরে ডুবে থাকতে হয়। এই উপলক্ষে ঘদিও বছ মূল্যবাণ গ্রন্থ পাঠের স্থযঘোগ হয়েছে, কিন্তু সব গ্রন্থেই ভক্ত প্রসঙ্গ পাওয়। যায়নি ধে গ্রন্থগুলিতে পেয়েছি তার একটি তানি! এই গ্রন্থের শেষাংশে প্রকাশ কর] হয়েছে

এখানে বিশেষভাবে উল্লেখ কর! প্রয়োজন বে, এই গ্রন্থটি কোন মৌলিক বচন। নয় অথবা এতে কোন কাল্পনিক কাহিনী প্রকাশ কর! হয়নি বিভিন্ন প্রস্থে যা পেয়েছি এবং বিক্ষিপ্তভাবে নান! গ্রন্থে ছড়ানো উপাদানগুলি (কয়েক ক্ষেত্রে মূলভাষাসহ ) সংগ্রহ করে এই গ্রন্থে একজে সন্নিবেশিত করা হয়েছে: তাছাড়। এটি ভক্তদের জীবনী গ্রন্থ নয়; কারণ এখানে কেবলমাত্র তাদের সংক্ষিপ্ত পরিচয়টুকু দেওয়। হয়েছে এবং সেক্ষেত্রে এটিকে “পরিচায়ক-গ্রস্থ” হিলাবে গণ্য করাই, সমীচিন হবে,

এই গ্রন্থে এমন কয়েকজনের পরিচয় দেওয়। হয়েছে, ধাদের নাম এভাবেই রামরুঞ্ণ সাহিত্যে ব্যবহাত হয়েছে যথা :-- আগড়পাড়ার্‌ আশু, বেলঘোরের তারক, দমদম মাষ্টার, শিবু আচাধের শ্বশুর, রাখালের বাপের শ্বশুর, অনুকূল মুখুজ্যের জামাইয়ের ভাই, ভূধর চাটুজ্যের জোষ্ঠ ভ্রাতা, ঘোগীন-মা'র খুড়ী, গোলাপ মা'র ভাই-ভাজ, বিশ্বস্তরের কন্যা, ছোট নরেন, ছোট গোলাপ, পল্ট, পতু, পাগলী, খেতিএ মা, বুন্ধার মা, হাবীর মা, রতির ম! প্রভৃতি আরও অনেক সব নামেই তারা সাহিত্যে বিশেষ স্বান পাওয়ায় সেই নামগুলিই এছ গ্রন্থে ব্যবহাত হয়েছে ছাড়া প্রতিটি শ্ত₹কে মোটামুটিভাবে ঘমভাবাপন্ন বাক্তিদের সাম্রশ্তপূর্ণ পরিচয় সাজিয়ে দেওয়। হয়েছে পাঠের স্ৰিধার জন্য। তবুও প্বীকার করতে-দ্বিধ। নেই ঘে আমার আপ্রাণ চেষ্ট। থাক। সত্বেও হয়তো কিছু ত্রুটি থাক! সম্ভব

( আট)

এই প্রসঙ্গে ক্ষোভের সঙ্গেই বলছি যে ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণের অনেক ভক্ত বা ্মন্গুরাগী এখন আমাদের বিশ্বৃতির অন্ধকারে মিশে ঘাচ্ছেন এবং ক্রমশঃ তাদের অনেকের কথা হয়তে। আমরা একবারেই তুলে ধাব। ঘাতে তুলে না ঘাই, মেই কারণেই এই গ্রন্থ রচনার প্রয়াম। এই গ্রন্থে ধাদের পরিচয় সংগ্রহ করা হয়েছে, তাদের সংখ] প্রায় ছয়শত। এই সামান্য সংখ)ক ভক্ত ছাড়াও ঠাকুরের সংস্পর্শে আরও কত শত শত ভক্ত বা অনুরাগী এসেছেন, ধাদের কোন পরিচয় জানতে পারিনি, ৰা কেউ জানাতে পারেন নি। প্রামাণিক তথ্য সহ ঘি কোন ভক্কের ব] সান্জিধ্যকারীর পরিচয় পুনরায় পাওয়া ঘায়, তবে পরবতত "সংস্করণে তা লিপিবদ্ধ কর হবে

কেবলমাত্র ভক্ত পরিচয় সংগ্র হের উদ্দেশ্টে এই গ্রন্থ রচিত হলেও ভগবান শ্রীরামকৃষ্ণের বিচিত্রমুখী লীলা-মাধুর্ধের পরিচয়ও এই তক্তদের সঙ্গে জড়িত। ভক্তদের নিয়েই ভগবানের নর-লীল1! এবং ভক্তদের সম্যক তথ্য জানলে ভগবানের লীলার রস আম্বাদন করাও সহজ হয়। ভগবান শ্রারামকৃষের আবির্ভাব তিরোভাবের মাঝখানে কিফিদধিক পঞ্চাশ বছর ( ইংরাজী ১৮ ফেব্রুয়ারী, ১৮৩৬ সাল থেকে ১৫ই আগষ্ট ১৮৮৬ সাল অবধি) অধাচিতভাৰে সর্বত্র কুপালোক বিতরণ করে পুনরায় তার গ্রপ্তলীলায় প্রত্যাবর্তন এবং এই সময়ের মধ্যে তার থেটুকু লীলাবিলাস, তা বিভিন্ন আধারের ভক্ত অন্রাগী- দের নিয়েই সেজন্য তাদের মাধ্যমেই ভগব।ন শ্রীরামরুষের মহালীলার অপূর্ব পরিচয় স্বাভাবিকভাবেই এই গ্রন্থে স্থান লাভ করেছে।

দ্বিতীয়তঃ, ঠাকুরের বিভিন্ন শ্রেণীর বিভিন্ন চরিত্রের ভক্ত অন্রাগীদের পরিচয় এবং বন্ুপ্রকারের ঘটন! বিশ্লেষণ করলে, তৎকালীন মমাজের একটি 'চিত্রও এই গ্রন্থে পাওয়। ধায় কারণ, ঠ1কুর শ্ররামকষেের জীবন, সমাজ-জীবন থেকে বিচ্ছিন্ন ছিল না। সেজন্য আধ্যাত্মিক জগৎ ছাড়াও, এই গ্রন্থের একটি এতিহাপিক গুরুত্ব আছে বলে মনে করি।

ততীয়তঃ, এই গ্রন্থের মাধ্যমে ঠাকুরের সংস্পর্শে আগত ভক্ত অন্ুরাগীদের একন্ নামাঙ্কিত একটি তালিকারও স্ত্টি হল। ঘদিও তথ্যাভাবে তালিকাটিও অসম্পূর্ণ, তবুও এমন একটি প্রাথমিক তালিকার প্রয়োজন ছিল। তা ছাড়া, ইদানীংকালে ঠাকুরের তৎকালীন ভক্তদের সম্পর্কে অনেক বিভ্রান্তিকর প্রসঙ্গ প্রচার কর! হয়; সে ক্ষেত্রে এই গ্রন্থটি সেই বিভ্রান্তি দূরীকরণে সহায়ক হবে।

সবশেষে, ঠাকুরের শুভাগমনের স্থানগুলির প্রকাশিত তালিকা, আগ্রহী ব্যক্তিদের কাছে আদরণীয় ছবে বলে মনে করি। বিভিন্ন গ্রন্থ থেকে ভক্তদের পরিচয় সংগ্রহের সময়, ঠাকুরের শু ভাগমনের স্থানগুলির পরিচয়ও নজরে আসে।

'ভূমিকা ( নয়)

« এগুলিরও যুগপৎ আধ্যাত্মিক এঁতিহাসিক মূল্য আছে বলে মনে করি তাই, ঠিক একই উপায়ে বিভিন্ন গ্রন্থে বিক্ষিপ্তভাবে উল্লিখিত স্থানগুলিকে শ্রেণীবদ্ধভাবে একটি তালিকার মাধ্যমে প্রকাশ করেছি। ঠাকুরের পৃত স্থৃতি-বিজড়িত এই স্থানগুলি _ দু-একটি বাদে, প্রান সবই এখনে বিদ্যমান। কথামৃত-প্রণেতা মাষ্টারমশাইয়ের ভাষায়_-“সবই মহাতীর্ঘ; তার চরণরজে সব জীবস্ত। এসব কেউ ঘদি দেখে বেড়ায়, তাতেই হয়ে যাবে ।” (শ্রীম-দর্শন, ১৫শ খণ্ড) এখানে বল! আবশ্যক, ঠাকুরের শুভাগমনের স্থানগুলির মধ্যে যদি কোন স্থানের নাম বাদ পড়ে থাকে, প্রামাণিক তথ্য পেলে পরে আবার সেগুলি প্রকাশ করা হুবে।

এই গ্রস্থ প্রকাশের সময়, প্রথমেই যে মহাত্রার নাম আন্তরিক কৃতজ্ঞতা সহকারে উল্লেখ করা প্রয়োজন, তিনি শ্রারামকৃষ্৫₹মিশনের উদার হাদয় সন্প্যাসী--পৃজনীয় শ্রাীমৎ শ্বামী নিবত্যানন্দজী ( উপেন মহারাজ )। আমি এই শুভকাজে ব্রতী হবার পর থেকেই পুজনীয় উপেন মহারাজ আমাকে বরাবরই আন্তরিক উৎসাহ সমর্থন জানিয়েছেন। প্রকৃতপক্ষে, তার সহাম্থভৃতিক্কে আমি শ্রীশ্রীঠাকুরের আশীর্বাদরূপে গণ্য করে, নিজেকে ভাগ্যবান বলে মনে করেছি। তাকে সম্রদ্ধ প্রণাম জানাই

সিখি রামরুষ্-সজ্ঘের 'প্রতিষ্ঠাতা-সম্পাদক কর্মযোগী, শ্রদ্ধেয় শ্রীথগেন্্র- চন্দ্র দে মহাশয়__লঙ্ঞের গ্রন্থাগার থেকে এই উপলক্ষ্যে প্রয়োজনীয় বছু পুত্ভক নিজে সবসময় আমাকে সরবরাহ করায়, এই গ্রন্থ রচনায় আমার সবিশেষ উপকার হয়। এখানে উল্লেখ্য, স্বামী বিবেকানন্দের শতবর্ষ জন্মজয়ন্তী উপলক্ষে আমার রচিত “ভারত-আত্মা বিবেকানন্দ গ্রস্থখনি মজ্ঘের তরফে তিনিই প্রথম প্রকাশ করে আমাকে এই রচনার কাজে উত্সাহ দিয়েছিলেন। আমি সর্ব বিষয়ে তার কাছেও কৃতজ্ঞ

আমার ভ্রাতৃতৃল/। সহকর্মা শ্রীশ্তামলকুমার চট্টোপাধ্যায় “উদ্বোধন মঠ”, "বেদাস্ত মঠ” প্রভৃতি ধর্মীয় সংস্থাগুলির গ্রন্থাগার থেকে এবং অন্যান্ত বনু স্থান থেকে বহু ছুত্পাপ্য পুস্তক সংগ্রহ করে আমাকে নিয়মিত সরবরাহ করায়, আমি তাকে আমার আন্তরিক শুভেচ্ছা! জানাই।

ছাড় ধাদদের কাছ থেকে নান! বিষয়ে সহযোগিত। পেয়েছি, তারা হলেন _ কথামৃত-গ্রণেত৷ মাষ্টারমশাই শ্রীমহেন্দ্রনাথ গুপ্তের কনিষ্ঠ ভ্রাতা শ্রকিশোরী গুপ্তের পোত্র শ্রগ্রশাস্ত গুপ্ত, ঠাকুরের অন্যতম চিকিৎসক প্রখ্যাত কবিরাঁজ রীগঙ্গাপ্রসাদ সেনের প্রপৌন্ কবিরাজ গ্রীজ্যোতিঃগ্রসন্ন সেন, সাহিত্য-সরন্বতী, মিখি ভাগবত সজ্ঘের সম্পাদক শ্রীগোবিদ্দচন্্র দত্ত, ঘাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের

( দশ)

তুলনামূলক সাহিত্য বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ডঃ নরেশ গুহ, যাদবপুর বিশ্ববিষ্ভালয়ের সহকারী রেজিষ্ার শ্রীহেমেন্দ্রনাথ দত্ত, পশ্চিযবঙ্গ সরকারের পূর্ত আবাসন বিভাগের উচ্চপদস্থ ইঞ্জিনীয়ার শ্রীরবীন্দ্রনাথ দত, ষ্টেট ব্যাস্ক অফ ইওডয়ার অন্যতম ব্রাঞ্চম্যানেজার শ্রঃঅর্ধেন্দু চৌধুরী, আমার কয়েকজন সহকমী শ্রাচিত্ত দে (নাট্যকার অভিনেতা), শ্রীগোপালচন্দ্র ব্যবর্ত। শ্রীদস্তোষ- কুমার সরকার এবং সিঁথি নিবাসী শ্রীকালিদাস বন্দ্যোপাধ্যায়, শ্রীধীরেন্্রনাথ দত, শ্রাীসত্োন্্রনাথ দত্ত, শ্রীহীরেন্ত্রনাথ মিজ্ শ্রীবিশ্বরগ্ন সেনগুপধ এদের সবাইকে আমার কৃতজ্ঞতা জানাই।

শ্রাহ্বধাংশুশেখর দে এই গ্রন্থ প্রকাণশর দায়িত্ব গ্রহণ করায় এবং তার সহযোগীরূপে শ্রীঞজগন্্াথ ভট্টাচাষ এই কাজে বিশেষ সাহাধ্য করায়, আমি শ্রীশ্রীঠাকুরের কাছে তাদের মঙ্গল প্রার্থনা করি।

শ্রীশ্রীঠাকুর এবং মদীয় গুরুদেবের চরণে কোটা কোটা প্রণাম জানিয়ে, তাদেরও প্রণাম করি যাদের পরিচয় নিয়ে এই গ্রন্থটি রচিত হছল। ক্ষম! প্রার্থনা! করি ঠাকুরের সেই সব বিস্বৃত, অজ্ঞাত, অপরিচিত, অনামী ভক্তদের কাছে যাদের পরিচয় প্রকাশে অসমর্থ হয়েছি। আর কৃতজ্ঞত! প্রকাশ করি সেইসব রচয়িতাগণের কাছে ধাদের গ্রন্থের সাহায্য ছাড়। এই গ্রন্থ রচন। কর' সম্ভব হত লা।

এই গ্রন্থ রচনায় আমি নিজে অনাবিল আনন্দ লাভ করেছি; এই গ্রন্থ পাঠ করে যদ্দি কেউ মনের প্রশাত্তি অনুভব করেন, আমি নিজেকে ধন্ত বলে মনে করব।

"এতৎ কর্মফলং শ্রীরামকষ্ণায় অর্পণমস্ত”

শ্যামলী বিনীত

৩৪।৭।মি, ভি. গুঞু লেন নির্মলকুমার রায় দি'খি, কলিকাতা-৭০০ ০৫০

মহালয়া, ১৩৮৬ লন

( এগারো )

মণিলাল মল্লিক--৭০, বিত্ববান যছুলাল মল্িক--৭১, কাগ্ডেন বিশ্বনাথ উপাধ্যায়-_-৭২, মহাপুরুষ মহেন্দ্রনাথ দত্ত_-৭9, পধ্লিব্রাজক ম্বামী কৃষ্ণানন্দ--৭৬।

তৃতীয় স্তবক 3 (ঠাকুরের আত্মীয় এবং সুপরিচিত ভক্ত অন্ুুরাগীবৃন্দ )

ক্ষুদিরাম চট্যোপাধ্যায়_-৭৯, রামকুমার চট্টোপাধ্যায়--৮*, রামেশ্বর চট্টোপাধ্যায়--৮২, রামঅক্ষয় চট্টোপাধ্যায় - ৮২, রামালাল চট্টোপাধ্যায়__ ৮৩, রামতারক চট্টোপাধ্যায়_-৮৫, ছাদয়রাম মুখোপাধ্যায়-_-৮৬, বলরাম বন্থ_-৮০, চুণীলাল বস্থ_-৯০, রামচন্ত্র দত্ত_-৯১, স্বরেশচন্দ্র দর্ত-_৯৩, স্বরেন্দ্রণাথ মিক্সর--৯৪, মনোমোহন মিত্র-:৯৬, হরমোহন মিত্র--৯৭, পূর্ণচন্দ্র ঘোষ-__৯৮, কালীপদ ঘোষ-_-১০*, নবপোপাল ঘোষ-_-১০১, ভুর্গাচরণ নাগ--১০৩, অধরলাল সেন-_-১০৫, বৈকুনাথ সান্যাল__ ১*৬, কেদারনাথ চট্টোপাধ্যায়--১০৭, ঈশানচন্দ্র মুখোপাধ্যায়--১০৮, প্রাণকৃষ মুখোপাধ্যায়_-১০৯, মহিমাচরণ চক্রবতাঁ-১০৯, ভবনাথ চট্রোপাধ্যায়-_ ১১০, হুরিশচন্দ্র মৃস্তাফী-__১১১, কিশোরী গুপ্ত--১১২, হারাণচন্দ্র দাস-_ ১১২, মণিমোহন সেন--১১৩, নবচৈতন্য মিজ্র--১১৩, গোপাল সেন_-১১৪, আনন্দমোহন ঘোষ--১১৫, রামকানাই ঘোষাল--+১১৫) গিরীশচন্দ্র চক্রবতীণ _-১১৬, শিবরুষ্ণ মিত্র-_-১১৭, নবীনচন্দ্র রায় চৌধুরী--১১৮, রমিকলাল চন্র_১১৮, নৃসিংহচন্দ্র দর্ত--১১৯, রাধামোহন বস্থ--১২০।

চতুর্থ স্তবক 2 ( কেবল “পদবী” অন্ুসারে--শ্রীশ্রীমায়ের আত্মীয়, অন্যান্ত ভক্ত অনুরাগীবুন্দ,)

রামচন্দ্র মুখোপাধ্যায়--১২৩, প্রসম্গকুমার মুখোপাধ্যায়--১২৩, রাজারা মুখোপাধ্যায়_-১২৪, অ্ুরেন্ত্রনাথ মুখোপাধ্যায়--১২৫, ভোলানাথ মুখোপাধ্যায়_-১২৫, শ্রীশচন্দ্র মুখোপাধ্যায়-_-১২৬, মহেন্দ্রনাথ মুখোপাধ্যায় _-১২৭, দীননাথ মুখোপাধায়_-১২৭, নরেজ্রনাথ মুখোপাধ্যায়_-১২৮, কালিদাস মুখোপাধ্যায়__ ১২৮, কালাচাদ মুখুজ্যে_-১২৮, জয় মুখুজ্যে-_১২৮, &শলজা চরণ মুখুজ্যে-_-১২৯, নফর বন্দ্যোপাধ্যায়--১২৯, নবেক্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায় --১২৯, রাঁজেন্দ্রলাল বন্দ্যোপাধ্যায়--১৩০,১ ভবনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়-_- ১৩০১ '&ভরবৰ বন্দ্যোপাধ্যায় ১৩১, শিবরাম চট্টোপাধ্যায়--১৩১, দীননাথ চট্টো-

( চৌদ্দ)

পাধ্যায়-_-১৩১, হরিদাস চট্টোপাধ্যায়--১৩১, ঈশানচন্দ্র চট্রোপাধ্যায়__ ১৩২, চন্দ্র চাটুজ্যে-_-১৩২, নবকুমার চাটুজ্যে-_-১৩২, ভূধর চাট্রজ্যে-_-১ ৩৩," রাম চাটুজ্যে--১৩৩, ফকীর ভট্রাচার্ধ__১৩৪, কৃষ্ণকিশোর ভট্টাচার্য_-১৩৪, রামপ্রসন্ন ভট্টাচাঁধ_-১৩৫, তারা প্রসন্ন ভট্টাচার্য ১৩৬, রামদয়াল চক্রবত্শ -_-১৩৬, চারুচন্দ্র চক্রবতী--১৩৬, কালীপ্রসাদ চক্রবতাঁ__-১৩৭, নটবর গোত্বামী_-১৩৭, রাধিকা গোম্বামী--১৩৭, নবদ্বীপ গোম্বামী--১৩৮, মহেন্্র গোম্বামী_১৩৮, কমলাপতি গোম্বামী_-১৩৯, আ্রেলোক্যানাথ সান্যাল--১৩৯, দাশরথি সান্যাল-_১৪০, গণেশ ঘোষাল--১৪০, জানকী ঘোষাল--১৪১, জ্ঞান চৌধুরী--১৪-, হারাণচন্দ্র চৌধুরী - ১৪২, বরদাকাস্ত শিরোমণি_-১৪২, গোলক শিরোম্ণি-_-১৪৩১ রাধানাথ বায়_-১৪৪, রাজেন রায়_-১৪৪, বজনীনাথ রায়--১৪৪, লীতানাথ পাইন-_১৪৫, দুর্গাদাস পাইন-_-১৪৫, লক্ষণ পাইন-_-১৪৬, দ্বাবিকানাথ বিশ্বাম--১৪৭, ব্রেলোক্য- নাথ বিশ্বাম_-১৪৭, অশ্বিকাচরণ বিশ্বাস _-১৪৯, নীলমাধব সেন_-১৪৯, জয়গোপাল সেন--১৫০, নন্দলাল লসেন-_ ১৫০, হুর্গাপ্রসাদ সেন _-১৫১, মোহিত সেন-_-১৫১, ঘোগেন সেন_-১৫১, গিরিশচন্জ সেন_-১৫২, বৈকুঃ 'সেন _১৫২, ঠাকুরদাস সেন_-১৫৩, বিপিন সেন_-১৫৩, প্রতাপচন্ত্র মজুমদার--১৫৩, সিদ্ধেশ্বর মজুমদার__১৫৪, শ্রীরাম মল্লিক__-১৫৪, ঈশানচন্দ্র মল্লিক--১৫৫, কুঞ মল্িক_-১৫৫, নিতাই মৃল্িক_-১৫৬, রাজেন সরকার--১৫৬, অন্তত সরকার--১৫৭, বিপিন সরকার--১৫৭, রমসিকলাল সরকার--১৫৭, কালিদাস সরকার--১৫৮, অমৃতলাল বস্থ _-১৫৮, নন্দলাল বস্থ__১৫৮, পশুপতি বন্থ_-১৫৯, রামকৃষ্ণ বন্থ_-১৫৯, দীননাথ বস্থু--:১৬০, কালীনাথ বস্থ--১৬০, দেবেন্দ্রনাথ বন্ু_-১৬১) স্যাম বহ্থ_-১৬১, মনোমোহুন বস্থ--১৬১, শ্রীধরচন্দ্র ঘোষ ১৬১, ভূলসীরাম ঘোষ ১৬২, শাস্তিরাম ঘোষ-_-১৬২, উপেন্দ্রনাথ ঘোষ__ ১৬২, মন্মথনাথ ঘোষ -_১৬৩, জয়গোপাল ঘোষ--১৬৩, তারাপদ ঘোষ--১৬৪, দেবেক্& ঘোষ--১৬৪, গিরীন্দ্র ঘোষ__১৬৪, রাজেন্দ্রনাথ মিজ্র--১৬৪, গোপালচন্দ্র মিত্র_-১৬৫, গিরীন্দ্রনাথ মিত্র-_-১৬৫, কাশীশ্বর মিত্র _১৬৫, শ্রীনাথ মিভ্তর ১৬৬, ঘজ্ঞনাথ মিত্র--১৬৬, হীরালাল মিত্র-_-১৬৬, বেণী- মাধব পাল--১৬৭, গোবিন্দ পাল-_ ১৬৮, বরদান্থন্দর পাল-- ১৬৮১ শরৎ সামস্ত--১৬৮, শশীভূষণ সামস্ত--১৬৯, নকুড় বাবাজী--১৬৯, সদয় বাবাজী-_-১৬৯, গয়াবিষুণ লাহা--১৭০, গঙ্গাবিষুঃ লাহা--১৭০, উমানাথ 'িহ--১৭০১ কু্তবিহারী কর্মকার-_-১৭১, প্রতভাপচন্দ্র হাজর1-_-১৭১, অন্দ।

(॥ পনেরে। )

অম সবক 2 (উকীল, মোক্তার, ইঞ্জিনীয়ার, জঙ্ষিদার প্রভৃতি)

উকীল নগেন্্রনাথ মিত্র--২৩৯, উকীল অতুলচন্ত্র ঘোষ--২৩৯, উকীল হরিবল্ভ বহৃ_-২৩৯, উকাল ঠছনাথ মিত্র -২৩৯, উকীল গণেশবারৃ-- ২৪০, মোক্তার অধরচন্দ্র রাঁয়_২৪১, ইঞ্জিণীয়ার প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়

--২৪১, জমিদার মাণিকচন্ত্র বন্দ্যোপাধ্যায়--২৪১, জমিদার ধর্মদাস লাহা

২৪২, জমিদার বামনদান মুখোপাধ্যায়__২৪৩, জমিদার জয়নারায়ণ বন্দোপাধ্যায় -২৪৩, জমিদার দাতারাম মণ্ডল-_২৪৪, জমিদার উপেন্দ্রনাথ

-২৪৪, জমিদার দুর্গাশঙ্কর--২৪৫, জমিদার গদাশঙ্কর -২৪৫, [ জমিদার মণুরানাথ বিশ্বাস - দ্বিতীয় স্তবক দ্রষ্টব্য ], উত্তরপাড়ার জমিদার পরিবার ২৪৫, দেওয়ান গোবিন্দ মুখোপাধ্যায়_-২৪৭, কুমার গজেন্দ্রনারায়ণ ভূপ ১৪৭, নেপালরাজের ছেলে ভাইপো! ২৪৭, [ মহারাজা শ্যার যতীন্্র- মোহন ঠাকুর এবং রাজা শ্যার শৌণীন্রমোহন ঠাকুর - দ্বিতীয় স্তবক রষ্টবা ]।

নবম সবক 2 (অনুন্নত বা উপেক্ষিত সম্প্রদায়ের এবং বিভিন্ন পেশার বিভিন্ন শ্রেণীর ব্যক্তিগণ )

চিহ্ন শাথারী--২৫১, রমিক মেথর--২৫২, ভর্তাভারী মালী--২৫৩, শু কুমোর--২৫৪, যধু যুগী--২৫৫, চও-ওঝা-_-২৫৫, চতুর পাণ্ডা--২৫৬, পাচক ঈশ্বর চাটুজ্যে - ২৫৬, পাচক গাঙ্গুলী_-২৫৬, ব্রলোক্য-ভৃত্য-_-২৫৭, গিরীশ-ভূত্য-:২৫৭, ঘছু মল্লিকের দ্বারবান_২৫৮, দ্বারবান্‌ হন্নযান সিং _২৫৮, সিপাহী কোয়ার সিং--২৫৯, কুষ্তিগীর শরৎ_-২৬০, মন্মথ গুপ্তা _-২৬*, ডাকাত বাগদী পাইক-_-২৬১, মাতাল বিছারী--২৬২, মাতাল কফধন_ ২৬৩, মাতাল পন্মবিনোদ--২৬৩, বোবা! উপেন-_-২৬৪, কুষ্ঠ রোগী--২৬৪, কন্ঠিধারা ব্যনক্ষি_ ২৬৫, গাড়ীওয়ালা বেণী সাহা__২৬৫, মিঠাইওয়াল! ফাণ্ড_-২৬৬, জ্ঞানী চাষী__২ »৬, হঠযোগী নারায়ণ_-২৬৭, হিন্দুস্থানী লাধূ-_২৬৮, কাশ্মীণী সাধু--২৬৮, আনন্দময় সাধু - ২৬৯, জ্ঞানোন্মাদ সাধূু--২৬৯, হষিকেশের সাধু-_২৭০, গেঁড়াতলার ফকীর-_ ২৭০ ভবানীপুরের পান্রী_-২৭০, কাটোয়ার ট্যার বৈষব--২৭১, কাশীর উৈরব-ভৈরবী--২৭১, জববলপুরের ভক্ত--২৭১, মণিরামপুরের ভক্-_২৭১, সিথির বেদান্তবাগীশ-_২৭২, শ্ররামপুরের গৌঁলাই--২৭২, মালপাড়ার গৌপাই--২৭২।

( আঠারে! )

দশম স্তবক 2 (নিজ পরিচয়ে, আত্মীয় পরিচয়ে অথব] স্থানের পরিচয়ে নির্দিষ্ট নামের ব্যক্তিগণ )

লক্ষমীনারায়ণ মাড়োয়ারী_২৭৫, মাড়োয়ারী ভক্ত--২৭৬, হালদার- পুরোহিত-_-২৭৬, খেলাৎ ঘোষের সম্বন্কী_২৭৭, শিবু আচার্ধের শ্বশুর_ ২৭৮, রাখালের বাপের শ্বশ্তর-_-২৭৮, ভূধর চাটুজ্যের জোগ্ঠভ্রাতা_-২৭৯, স্বরেন্দ্রের মেজদাদ1 _ ২৭৯, প্রাণকৃষ্ণের জ্ঞাতি_-২৭৯, ভাছুড়ীর পুত্ব__ ২৭৯, হাদয়ের ছেলে_-২৮০, কেশবের পুত্রদ্ঘয়-_-২৮০, কেশবের অনুরাগীবৃন্দ _-২৮০, মণি মল্লিকের বড় ছেলে-_-২৮১, মণি মিকের নাতজামাই--২৮১, অনুকূল মুখুজ্যের জামাইয়ের ভাই--২৮১, নিরঞ্রনের ভাই - ২৮২, প্রতাপের ভাই--২৮২, হাবীর মার ভাই--২৮৩, গোলাপ-মার ভাই-ভাজ--২৮৩, ভাই ভূপতি _২৮৩, ছ্বিজর পিতা--২৮৪, শ্রীম-পুত্রকন্াগণ_-২৮৪, মহেশ হ্যায়রত্বের ছাত্র_-২৮৫, মৃখুজ্যেদের হরি_-২৮৫, বাগবাজারের হরিবাবু-_ ২৮৫, যুগলবাবু-_-২৮৬, কুঞ্জবাবু--২৮৬, কান্তিবাবু-_-২৮৬, নেপালবাবু-_ ২৮৭, আগড়পাড়ার আশ্ু-_-২৮৭, বেলঘোরের তারক--২৮৭, বীরভ্মর বিহারী_-২৮৮, বরানগরের ঠাকুর-দাদা_ ২৮৮, দম্দম্‌ মাষ্টার-_-২৮৯, কাশীর রাজাবাবু-_২৮৯।

দশম সবক কে)? (আশ্রিত জীবসকল )

কুকুর-কাপ্তেন-_ ২৯১, আশ্রিত বিড়াল-_-২৯১, ভক্ত হুন্মমান-_-২৯২, শরণাগত মৎস্য--২৯২।

একাদশ সবক 2 (নিণিষ্ট “একক” নামে পরিচিত ব্যক্তিগণ )

নিত্যগোপাল--২৯৫, তুলসী মহারাজ_-২৯৭, দক্ষ মহারাজ-_-২৯৮, গিরিজা - ২৯৮, চন্দ্র--২৯৯, ছোট নরেন_-২৯৯, ছোট গোপাল--৩**, নারায়ণ-_ ৩০১, বিষু--৩০২, হরিপদ __৩০২, তেজচন্দ্র_ ৩০৩, পণ্ট,_৩০৪, পতু-__ ৩০৪, দ্বিজ্ঞ-_-৩০৫, ক্ষীরোদ--৩০৫, কিশোরী--৩০৫, রবীন্দ্র--৩০৬, ধীরেক্দ __-৩০৭, ঘৃতীন্দ্র-__-৩০৭, মহেন্দ্র--৩০৭, বড়কালী--৩০৮, বুটো!কালী-_-৩০৮, প্রিয়-৩০৮, প্রসম্ন--৩০৯, রতন--৩*৯, কৃষ্ণধন-_-৩১০১ রামধন--৩১০, সারদাচরণ--৩১০, রাজমোহুন-- ৩১১, যোগজীবন-_ ৩১১, পঞ্চানন--৩১১১ রামজয়_ ৩১২, ঝুনো সবষে-_ ৩১২, মোহিত-_- ৩১৩, নবকুমার--৩১৩,

( উনিশ )

ভূপেন -_-৩১৩, ক্ষেত্রনাথ -৩১৩) বঙ্কিম ৩১৪, কালী-ভুলু--৩১৪, সত্যাচরণ

স্্প৩১৪ |

দ্বাদশ স্তবক 2 (ঠাকুরের মহিলা গুরু, মাতা, শ্বশ্রামাতা সমে্ বিশিষ্ট ভক্তদের মাতা, স্ত্রী গ্রভৃতি ) ভৈরবী ব্রাহ্মণী োগেশ্বরী দেবী--৩১৯, চন্দ্রমণি দেবী-_-৩২০, শ্ামাহদ্দরী দেবী--৩২২, তৃবনেঙ্বরী দেবী--৩২৩ রঘুমণি দেবী--৩২৫, রাইমণি দেবা ৩২৬ মাতঙ্জিনী দেবী-_-৩২৬, বিশ্বেশ্বরী দেবী__৩২৭, ভবতারিণী দেবা _-৩২৮, নিকুঞ্চ দেবী_-৩৩০, কুষ্ণভামিণী দেবী--৩৩১, নিষ্তারিণী দেবী ৩৩২, কৃষ্প্রেয়পী দেবী--৩৩৩, জগদগ্ধা দেবী--৩৩৩, বামান্বন্দরী দেবী ৩৩৪, শ্যামান্থন্দরী দেবী (মিত্র)--৩৩৫, সারদাস্থন্দরী দেবী (দেন)_-৩৩৬, গিরিবাল৷ দেবী--৩৩৭, হেমাঙ্গিনী দেবী_-৩৩৮, কালীপদ-গৃছিণী_-৩৩৮, দেবেন্দ্র-গৃছিণী--৩৩৯, চুনীলাল-গৃহিণী_-৩৪০, বিজয়রুষ্-গৃহিণী-_-৩৪০, কাণেন-গৃহিণী--৩৪., গোবিন্দ-গৃহিণী_-৩৪, কুষ্ণকিশোর-গৃহিণী--৩৪১, মহেত্দ্রপাল-গৃহিণী-_-৩৪২, হরমোহন-জননী--৩৪২, নারায়ণ-জননী - ৩৪২, ঘছ-জননী _-৩৪৩, হুরিপ্রসন্ন-ভগিনী _ ৩৪৩, উপেক্দ্র-মাতুলানী - ৩৪৩।

এয়োদশ স্তবক 2 (স্থুপারচিতা মহিলা-ভক্তবুন্দ ) রাণী রাসমণি--৩৪৭, গৌরী-মা_-৩৪৯, যোগীন-মা_ ৩৫১, গোলাপ-মা_ ৩৫২, গোপালের মা_ ৩৫৩, লক্ষ্মী দিদি- ৩৫৫, ভান্গ-পিসী--৩৫৬, প্রসন্ন- দিদি_-৩৫৭, ভিক্ষা্াতা ধনী_-৩৭৮, তপস্থিনী গঙ্গামাতী-- ৩৫৯, কাশীর মেয়ে- ৬৯, ভৈরবী ( দ্বিতীয় )--৩৬১, বাণী কাত্যায়ণী--:৩৬১।

চতুর্দশ সবক 2 (নিজ পারটয়ে অথবা আত্মীয় পারচয়ে নিদিষ্ট

নামের মহিলা ভক্তবুন্দ )

যছুর মাসী--৩৬৫, যঘোগীন মার খুড়ী,_-৩৬৫, যোগীন মার মাতামহী-- ৩৬৬, দ্বিজর ছোট দিদিমা--৩৬৬, দ্বিজর ভগিনী_ ৩৬৭, গোলাপ-মার ভর্বী -_-৩৬৭, বিজয়রুষ্ণের শাশুড়ী--৩৬৭, বিজয়কৃষ্ণের কন্া_-৩৬৮, কেশব- চন্দ্রের কন্তা-৩৬৮, বিশ্বস্তরের কন্তা_-৩৬৮, ভক্তিমতী ছুই জা--৩৬৯, রুক্সিনী দেবী--৩৬৯, নন্দিনী দেবী_-৩৭০, ভূবনমোহিনী দেবী--৩৭০, কষ্তমন্জী দেবী-_-৩৭০) দাক্ষায়ণী দেবী-_-৩৭১, মহামায়া দেবী--৩৭১, ব্রজবালা দেবী--৩৭২, মাঁণিকপ্রভা--৩৭২, গণু-_ ৩৭২, আশা--৩৭৩।

( কুডি )

পঞ্চদশ সবক 2 (গায়িকা, ধাত্রী, দাসী, বারবণিতা, নট-নটী* প্রভৃতি ) নটা বিনোদ্দিনী--৩৭৭, গায়িকা নেপালী ব্র্মচারিণী--৩৭৮, কীর্ভনী পান্জাময়ী_-৩৭৮, কীর্ভনী সহচরী--৩৭৮, কীর্তন! বিধু--৩৭৯, কীর্তনী প্রেমী _-৩৭৯, বারবণিতা লছমী বাঈ--৩৮০, বারবণিতা৷ রমণী--৩৮০, ঘোষপাড়ার মহিলা-__৩৮১, সরী পাথর-__৩৮১, শঙ্করী কামারনী--৩৮১, ভৈরবী ধাই--৩৮২, ভৃবনমোহিনী ধাত্রী-৩৮২, বৃদ্দে ঝি--৩৮২, ভগবতী বি--৩৮৩, ভাবিশী-ঠাকৃরুণ--৩৮৩, খেতির মা--৩৮৪, রতির মা--৩৮৪, বৃন্দার মা__৩৮৪, কালীর মা--৩৮৫, হাবীর মা_-৩৮৫, মিস্‌ পিগট.__ ৩৮৫, পাগলী--৩৮৫, নট-নটীবৃন্দ-৩৮৭।

পরিশিঞ 2 ঠৰুর শ্রীরামকুষের শুভাগমনের স্থানগুলি_৩০৯। সহায়ক গ্রন্থাবলী $ ৩৯৯।

€( একুশ )

শুদ্ধিপত্র

বই ছাপার পর মূ গ্রমাদবশতঃ কয়েকটি মারাত্বক ভূল চোখে পড়ায়, তা মংশোধন বরে নীচে দেওয়া হম।

ষ্ঠ

লাইন

আছে নির্মাণ ঝরল লক্মীজাল কাললানাথ মেবা-মেবকতাব রবীন্্নাথ ঠাকুরের হাবুহাধু তৈরতী বঙ্গায় ঘায় অবস্থা উতত তার ইতি ৬খেল। কর মাধনকাল গোপালরপা

হবে নির্মাণ করলে লগ্মীভন। কালীনাধ দেবা-দেবকতাব রবীন্ত্নাথ ঠাকুর হাবুবাবু তৈরৈৰী গঙ্গায় যাণ অবমান উত্তর তার ই্ণি ৮থেলাং ঠাকুর নাধণকালে গোপালরপী

প্রথম শুবক

্ীশ্রীম। সারদাদেবী

ভগবান উরাম$্ফেব নরলীলার প্রধান-সঙ্গিনী এবং সহধমিণী শ্রশ্রমা গাবদাদেবী বীকুড়া জেলা জয়রামবাটা গ্রামে ৮ই পৌষ, ১২৬০ বঙ্গাঝে ( ইংরাজী ২২শে ডিসেপ্বর, ১৮৫৩ খীষ্টান্দ ), কৃষ্ণ সপ্তমী তিথিতে, বুহস্পতিবার জমগ্রহণ করেন। তব পিতা ছিলেণ শ্রীরামচন্দ্র মুখোপাধ্যায় এবং মাতা! উমতী শ্ঠামান্ন্দরী দেখী। এনারায়ণ যেমন শ্রীরামকৃষ্ণের পিত। ক্ষিবামকে ্বপ্পে দর্শন দিয়ে তাত গৃহে ভূমিষ্ঠ হন, ৬লক্ীদেবীও তেমন সারদাদেবীব পিত। বামচন্্রকে স্বপে দর্শন দিয়ে তার গৃহে ভূমিষ্ঠ হন। এই “লাক্মী-নারায়ণেনব যুগ্লমিলনেই উভয়ে আত্মস্বরূপে একী ভূত হয়ে “শ্রীরামরুষ্ণ-পারদান্রূপে জগতে লীল] কথে গেছেন। তবে এ-লীল৷ অতৃতপূৃর, বৈচিত্রাময় এবং কল্পনাতীত। বিশ্বপ্লাবিনা মাতৃন্রেহধারাঁর অধিকাবিণী শ্রশ্রীমা আজ শত সহ ভক্ত নরনারীর কাছে সাক্ষাৎ জগঙ্জননী - আগ্াশক্তি _ মৃহামায়ারূণপে পৃঁজিতা।

শীরামকষের সঙ্গে সারদাদেবীর প্রথম সাক্ষাৎ হয় একেবারে শৈশবকালে জযরামবাটী গ্রামের পার্বতী কামারপুকুরের কাছে শিহড় গ্রামে সেখানে এক যাত্রাগানের আসরে মাত্র তিন বছর বয়সের শিশুকন্যা সারদাকে জনৈক! আত্মীয়া কোরে তুলে আদর করে রঙ্গচ্ছলে “কাকে বিয়ে করবি” _ জিজ্ঞাসা করায়, শিশু সারপা উপস্থিত আতৃবর্গের মধ্যে গদাধরকে ( পরবর্তাঁকালে শ্রারামরুষ্ণ) তার ছোট আঙুল দিয়ে দেখিয়েছিলেন। পরে যখন গদাধরের বিবাহের চেষ্টা করে তার আত্মীয়ন্বজনেরা মনের মত্তন পাত্রীর সন্ধান করতে বিফল হতে থাকেন, তখন গদাধর স্বয়ং নির্দেশ করেন - “জয়রামবাচীতে রামান্র মুখুজর মেয়েটি কুটো বেঁধে রাখা আছে, সেখানে চেষ্টা করে] ।” গদাধরের মা চন্দ্রমণি মেখানেই গদাধরের' বিবাহ দেন। বিবাহের সময় গদাধরের বয়স ২৩ বছর, আর সারদাদেবীর বয়স বছর।

শ্রীরামরু্চ

বিবাহের পর কখনে৷ পিআ্রালয়ে, কখনে। শ্বশুরালয়ে কয়েক বছর অতিক্রম 'হওয়ার পর, অবশেষে আরদাদেবী দক্ষিণেশ্বরে শ্বামী ভীরামকষ্ণের কাছে আসেন এবং তার সাধনপখের প্রধান-সহায়িকা হন। ' সকল প্রকারে সাধনার শেষে এই সময ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ সর্বদ! ভারমুখে থাকায়, তার সমুদয় সেবার ভার সারদাদেবী গ্রহণ করেন এবং ঠাকুরের ইচ্ছানুযায়ী তার সঙ্গে একই শঘ্যায়' শয়নও করেন। এই সময়েই কাম-কাঞ্চন ত্যাগী ম্বামীর সঙজে সারদাদেবীর অপূর্ব টৈবলীলা সংঘটিত হয় এবং ঠাকুর স্বয়ং এই সময় জীবনের কঠিনতম অসাধারণ "পরীক্ষায় উত্বীর্ণ হন। ঠাকুর একদা সারদাদেবীকে প্রশ্ন করেছিলেন _ “ভূমি কি আমাক সংসারের পথে টেনে নিয়ে ষেতে চাও ?” তাঁতে সারদা- দেবী জানিয়েছিলেন - “সংসারের পথে নয়, তোমার সাধনার পথে সহায় হতে এসেছি ।” সারদাদেবীও একদ! ঠাকুরের পদসেবা করার কালে তীকে প্রশ্ন করেন- “আমি তোমার কে?” ঠাকৃর তৎক্ষণাৎ তাকে উত্তরে বলেন- “মন্দিরে'ঘে-মা ভবতারিণী, নহবত ঘরে ঘে-মা গর্ভধারিণী, তুমিও সে-ই আমার ' আনন্দময়ী মা।” এই ছিল শ্রীরামকৃষ্ণ সারদাদেবীর মধ্যে লৌকিক সম্পর্ক

ঠাকুর শ্রীরামক্ঞ্ণের জীবনের সর্বসাধনার চরম পরিণতি ঘটে “ফল হারিণী- কালীপৃজার” এক রাত্রে দক্ষিণেশ্বরে সে রাত্রে ঠাকুর নিজের ঘরে সারদা- দেবীকে ফোড়শোপচারে মাতৃজ্ঞানে “ষোড়শী পৃজা” করেন এবং তার অস্তরিহিত দিব্যশক্তি উদ্ধদ্ধ করেন। এই দিন সারদাদেবীর চরণে আত্মনিবেদন করে ঠাকুর তার স্থ্দীথথ সাধনার ফলরাশির লঙ্গে, নিজের জপের মালাটিও সারদা- দেষীর পাদপন্মে চিবকালের জন্য বিসর্জন করেন। প্রকৃতপক্ষে, বিনা সাধনায় সারদাদেবী এই দিন সমস্ত দৈবশত্তি এবং সমস্ত সিদ্ধির অধিকারিণী হন। এই মহাপুজার পরেও ম্লারদাদেবী কিছুকাল ঠাকুরের সঙ্গে একত্রে বাস করেন; কিন্ত সে সময় ঠাকুরের ভাবসমাধিকালে প্রায় পারাবাতই সারদাদেবী তার সেবায় নিযুক্ত থাকার কলে এবং অনিদ্রায় রাত কাটাতে থাকায়, ঠাকুরের নির্দেশে নহবতঘরে যাতা চন্দ্রমণির কাছে তার শোয়ার ব্যবস্থা হয়। পরবর্তীকালে, গৃহীভক্ত শভুচরণ মক্সিক কালীবাড়ীর বাগানের কাছে একটি কুটার নির্মাণ করল, সেখানেও তিনি কিছুদিন বান করেন।

পূর্বে কামারপুকুরে থাকাকালীন, বেঙ্গাই গ্রাম নিবাসী শ্বশুর বংশের বুদ্ধ কুলগুরু শ্রীপূর্ণানন্দ ভষ্টাচার্ধের কাছে সারদ! দেবী শাক্ত য্্রে দীক্ষা নিলেও, পরে ঠাকুর স্বঘ্বং সারদাদেবী!র জিহ্বায় বীজমন্ত্র লিখে দীক্ষা! দান করেন তদবধি সারদাদেবী প্রতিদিন লক্ষ জপ করতেন। ঠাকুর তাকে সকল দেব-দেবীর সাধনা করতে শেখানোর ফলে, তিনি বিবিধ অন্ভত্তির অধিকারিণী হন এবং

শ্রীরামকুষ্ণের সেবাকেই ইট্পৃজ! হিসাবে গ্রহণ করেন। একদা নহবতদ্বরে' জীরামকুষ্ণের একথানি ফটো! লাজিয়ে তিনি বখন পৃজার আয়োজন করছিলেন, সেসমম্ সহস। ঠাকুর সেখানে প্রবেশ করে ভাবস্থ হন এবং নিজের নেই ফটোর' ওপর ছু”একটি ফুল রেখে ভবিষ্যৎবাণী করেন -“কালে এই ছবি ঘরে ঘরে পুজো হবে ।” বল! আবশ্বক, সারদাদেবী ভাল ভাল ভজন সঙ্গীত গাইতে পারতেন এবংসেই গানে গোপনে ইষ্টের পূজা করতেন।

অন্তান্ত অবতার-লীলায় ধর্মপত্বীকে েমন বর্জন করা হয়েছে, শ্রীরামকষ- অবভারে ঠিক তার বিপরীত ঘটেছে এখানে শ্রীরামকুষ্ের কাছে সারদা দেবী তারই উত্তর লাধিক। রূপে সম্মানিতা, মহাশিষ্তারূপে পালিতা এবং মহা- শক্কিরূপে পুজিতা সারদাদেবীও শ্রীরামকৃষ্ণকে কখনো। গুরু, কখনে। ইচ্ট ব! পতি, কখনে। সন্তান, আবার কখনো মা-ভবতারিণীর সচল বিগ্রহরূপে জ্ঞান কবেছেন॥ টৈহিক-সম্পর্ক বিবজিত এই অভূতপূর্ব, অপূর্ব, অদ্ভূত স্বামী-স্ত্রীর লাল, _ জগতে আর কোন অবতার-লীলায় ঘটেনি তাই সাধারণতঃ লোকে শরামকৃষ্ণকে সর্বধর্ণ সমন্বপ্নকারী হিসাবে অন্তরে গ্রহণ করলেও, সারদাদেবী তাকে শ্রেষ্ঠ কাম-কাঞ্চন-ত্যাগী রূপেই অধিক স্বীকৃতি দিয়েছেন

ঠাকুরের দুরারোগ্য ব্যাধির সময় একদ৷ সারদাদেবী তার জীবন রক্ষার জন্ত যখন /তারকেশ্বরে হত্যা দিয়ে বিফল হয়ে ফিরে আসেন, তখন তার অস্থিরত। দর্শন করে ঠাকুর তাঁকে নির্দেশ দিয়েছিলেন ষে, তাঁর লীল৷ সংবরণের পবেও সারদাদেবীকে আরো কিছুদিন জগতে থাকতে হবে এবং ঠাকুরের অসম্পূর্ণ কাজগুলি তাকেই সম্পূর্ণ করতে হবে। ঠাকুর যেদিন মহাসমা ধিতে শরীর রক্ষা করেন, সেদিন সারদাদেবী "আমার মা-কালী কোথায় গেলে গো !” _ শুধু একবার এই চীৎকার করেই মুছ? যান।

ঠান্ুরের দেহত্যাগের পরেও সারদাদেবীর সম্মুখে ঠাকুর বুবার দেহ ধারণ করে তাকে দর্শন দেন এবং তখনো! অনেক লীলার প্রকাশ হয়। প্রচলিত প্রথা অন্ধ্যায়ী সারদাদেবী যেদিন হাতের অলংকার (সোনার বাল! ) খুলতে ঘান, সেদিন ঠাকুর তার সম্মুথে আবিভূতি হয়ে শ্বয়ং হাত ছুটি ধঘে তাকে সেই বালা খুলতে নিষেধ করেন। ঠাকুরের অদর্শনে সারদাদেবীর জীবন ছুর্বহ বোধ হতে থাকায়, পুনরায় ঠাকুর তাকে দেখা দিয়ে বলেন-_“না, তুমি থাকো; অনেক কাজ বাকী আছে।” পরবর্তীকালে ভক্তদের সঙ্গে দারদাদেবী যখন তীর্থ দর্শনে যান, তখন বুন্াবনে অবস্থানকালে শ্রারাধিকার মহাবিরহের ভাবে তিনি কান্নায় ভেঙ্গে পড়লে, পুনরায় সেখানে ঠাকুর তাকে দেখ। দিয়ে আনন্দ দান করেন এবং এরপর থেকেই তিনি ঘন ঘন ঠাকুরের দর্শন পান। এই সময়.

১০

খাকৃর তাকে একঘ। দর্শন দিয়ে ভক্ত যোগীন্দ্রকে (পরবতীকালে স্বামী ফোগানন্প) দীক্ষা দিতে আদেশ করেন এবং ঘোগীন্্রও ঠাকুরের দর্শন বিষয়ে আদেশ “লাভ করার পর শ্ীশ্রীমা সারদাদেবী তকে দীক্ষ। দান করেন। পরে কামার- পুকুরে অবস্থানকালে পল্লীবানীদের সমালোচনায় শ্রশ্রমা। পুনরায় দেহের অলঙ্কারাদি ত্যাগ করার চেষ্ট! করলে, ঠাকুর তাকে দর্শন দিয়ে পুনরায় সেকাডে নিবৃত্ত করেন এবং মহাসাধিকা সম্্যাসিনী গৌরীমাতার কাছে এই বিষয়ে বৈষ্ণব তন্ত্রের অভিমত জেনে নিতে আদেশ দেন। পরে গৌরীমাতার শান্ত্রসন্বত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী তিনি চির সীমস্তিনী লক্ষ্মীন্ধপে জীবনধাপন করতে স্বক্ত হন। তান অধিকাংশ সময় নিজেকে কঠিন তপস্যা, প্যান, জপ « 'গশীর সমাধির মাঝেই নিণুক্ত রাখতেশ।

নরেন্দ্রনাথ (স্বামী বিবেকাশন্দ )-শ্রশ্রমা। সারধাধেবীর আশীবাদ « 'অন্থমতি নিযে আমেরিকার চিকাগো-ধর্নমহাসভায় যোগদানের পর এবং প্রা» পাশ্চাত্য দেশসমৃহে শ্রীশ্রীরামকুষের ভাবধার। প্রচারের পর স্বদেশে ফিবে বেলুড়ে রামরুষ্ণ মঠের পত্বন করলে, সারদাদেবীকেই “সভ্ঘ-জননীস্রূপে বরশ কর। হয় এবং তদবধি ঠাকুরের সকল সন্তান তাকে খাতৃবূপে গ্রহণ করেন। এই সময় থেকেহ তিনি সকলের কাছে "শ্রশ্মা”রূপে ধিধাঞ্ত করেন এবং সম সন্তানদের কল্যাণার্থে নিজেকে নিয়োজত করেন। এমনাক, ঠাকুরের রণেশী ভক্তেরাও তার কাছে এসে মাতৃমহিমার এসাম্বাদণ কণে বন্য হতেন।

শ্রত্বীমা সারদাদেবীর পবিত্র জীবণ-লীল] সাবাগণ 'লাকেব কপ্পনাতীত যেমন শ্ররামকৃষণ, তেমন সারধাদেবী _ ছুজলেই অপুব অডুত। ঠাঝুর খাছাহ করে মুষ্টিমেয় কয়েকজন ভক্তকে দীক্গ] দিলেও, শ্রাশ্রমা »গঃণত ওকে নিবিচারে দীক্ষ। দিয়ে তাদের নিজ লেইছায়ায় আশ্রয় দিয়ে $গণ্মাতা শাম সার্থক করেছেন। স্বামীজা বেলুড় মঠে শ্রীশ্ামায়ের উপস্থিতিতে তারই নামে অঙ্বল্লের দ্বারা প্রথম ৬হুর্গাপৃজার প্রবর্তন করেন এবং 'আজ অবধি সারদাদেবীর 'নামেই সঙ্কল্পের দ্বারা বেলুড়ে এই মহাপুজ। সম্পন্ন. হয়

১৯২০ শ্ীষ্টাব্বের ২১শে জুলাই উত্বর কলকাতা বাগবাজারে উদ্বোধন যে

( মায়ের বাড়ী ) শ্রীশ্রীম। দেহরক্ষা করেন।

পমায়ের নিজের ভাষায় : “আঙি মা? জগত্রে মা? সকলের ম1।”

স্বামী বিবেকানন্দ

পূর্বনাম গ্রীনরেন্দ্রনাথ দত্ত। তিনি ছিলেন ভগবান শ্ররামকৃের কৃপাপ্রাঞ্চ অবিবাহিত ত্যাগী ভক্ত সন্তান এবং প্রধানতম অস্তরজ পার্ধদ। উত্তর কলকাতার সিমলা! পল্লীতে ৩নং গৌর মুখাজী স্ট্রীটে, ২৯শে পৌষ, ১২৬৯ বাবে ( ইংরাজী ১২ই জানুয়ারী, ১৮৬৩ খ্রীষ্টাব্দ ) পৌষ-সংক্রান্তির দিন, কৃষ্ণা সপ্তমী তিথিতে কায়স্থ পরিবারে ছিনি জন্মগ্রহণ করেন। আদি নিবাস ছিল বর্ধমান, জ্েলাব কালনা-মহুকুমায় দত্ত-দরিয়াটানা (দেরেটোন ) গ্রামে তার পিতা ছিলেন এটনীঁ শ্রীবিশ্বনাথ দত্ত এবং মাতা শ্রীমতী ভূবনেশ্বরী দেবী। তার প্র্পতামহন শ্রীরামমোহুন দত্ত তদানীন্তন স্বপ্রীম “কার্টের একজন বিখ্যাত আইনজীবী ছিলেন, পিতামহ শ্রীূর্গাচরণ দত্তও আইন বাবসায়ে নিযুক্ত ছিলেন ' পিতা9 আইউনঙ্গীবী ছিলেন এবং নবেন্দ্নাথ৪ কিছুদিন আইন শিক্ষার পর আধ্াত্মিক প্রেবণার তা ত্যাগ কবেন। পিতামহ ছূর্গাচরণ অবশ্ট পরবত' জ্র'ণনে সন্নযাসধর্ম গ্রহণ কবে সংসাব ত্যাগ কবেছিলেন।

বালাকাল থেকে মানাপ্ুণে ভূদিত নবেক্্রনাথ “এনট্রান্স” পরীক্ষায় প্রথম * বি ভাগে উত্তীর্ণ হয়ে প্রেসিন্সী কলেজ এবং পবে জেনাবেল এসেমরী কলেছে ( বর্তমানে স্কটিশচাট কলেজ ) ভর্তি হন। দর্শন-শাস্মে বি.এ. পাস করাব পরু তিনি “ল-কলেজে" কিছুদিন আইশ বিদ্যা! শিক্ষা কবেন এবং পরবে অতান্ গাভাবেব জন্য কিছুদিন বিদ্যাসাগর মশাইয়ের মেট্রোপলিটন স্কুলে প্রধান শিক্ষকেব চা" বী গ্রহণ করেন , কিন্তু অবশেষে তা-ও ত্যাগ করেন।

অন্সবের তীৰ ধর্ম পিপাসা মেটাবার জন্য জীবনের প্রথম অবস্থায় নরেন্ত্রনা তদাশীন্তন বাক্ষপমাঁজে এবং ধর্মজগতের প্রায় সমুদয় মহাপুরুষের কাছে ধাতায়াত কও ঈশ্বর দর্শনের অদম্য ইচ্ছ। পূর্ণ কবতে পারেন নি। ঠিক এই ব্যাকুলতাব সময়েই ক্বীয় সিমলা পলীতে ভক্ত ওরেন্দ্রনাথ মিত্রের বাডীতে ঠাকুর শ্রুরা ম- কৃষ্ণের সঙ্গে তার প্রথম সাক্ষাৎ হয়। স্বগায়ক নবেন্দ্রনাথ সেখানে ঠাকুরকে অন্কুপম ফ্জীতে যুগ্ধ করলে, ঠাকুর তাকে দক্ষিণেশ্বরে যাওয়ার জম্ম অনুরোধ: কবে যান। পরে ঠাকুর শ্রীরামরুষেের গৃহীভক্ত রামচন্দ্র দত্তের উপদেশানুসারে তিশি স্থুরেন্দ্রনাথ মিদ্র অন্যান্য পন্ধুগণসহ দক্ষিণেশ্বরে ঠাকুরের কাছে যান এবং তার কথামত পান করেন। এবপব থেকেই তিনি বার বার দক্ষিণেশ্বরে ঘাওয়। সর করেন এবং ঠাকুরকে নানাভাবে পরীক্ষ। করে তার মধ্যে অলৌকিক পরম শক্তির সন্ধান পান। ঠাকুরও নরেন্দ্রনাথকে তার অকৃত্রিম প্রেমের আকর্ষণে ক্রমশ: নিজের কাছে টানেন। এরপরেই পিতার হঠাৎ মৃত্যু হওয়ায় নরেন্ত্রনাথ £5গু দারিজ্র্য, আত্মীয় বিরোধ প্রভৃতি নানাবিপদের সম্মু্থীন হন এবং লময়

পর

জনৈক ধনীর কন্তার সঙ্গে তার বিবাহের প্রস্তাব গ্রভূতি নানাগ্রকার প্রলোভনও উপস্থিত হুয়। বেকারত্বের অভিশাপ, ক্ষুধার জ্বালা, শারীরিক কষ্ট প্রভৃতি উপেক্ষা করে নরেন্ত্রনাথ সেই সময় নিজ আদর্শে অটুট থাকেন এবং অসীম মনোবলের দ্বার সমগ্র ছৃর্তোগকে একে একে পরান্ত করেন। বলা বাহুল্য, এই অসময়ে একমাত্র প্রেমের ঠাকুর শ্রীরামকুষ্ের কাছেই সকল বিষয়ে ভরসা লাভ করে, নবেন্দ্রনাথ তীর শ্রীচরণে আশ্রয় গ্রহণ করেন এবং মন্ুস্তজীবনের উদ্দেস্ত সম্পর্কে সঠিক নির্দেশ পান মহান গুরু-_ মহান শিষ্য ! মণিকাঞ্চন যোগ! অতঃপর ঠাকুর উপযুক্ত সময়ে নরেন্দ্রনাথকে দীক্ষাদান করেন এবং সমুদঘ্র শিশ্তগণের মধ্যে তাকেই সর্বপ্রধান বলে চিহ্কিত করেন। ঠাকুর তাকে “ঈশ্বরকোটী” রূপেও নির্দেশ করেন। নরেন্দ্রনাথ সংসার ত্যাগ করে ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণের কাছেই আশ্রয় গ্রহণ করেন এবং তাকেই জীবনের ঞ্ুবতারারূপে বরণ করেন ঠাকুরও তাঁকে সব- শক্তি প্রদান করে শিবজ্ঞানে জীবসেবা এবং লোকশিক্ষার ভার দেন ! (ে- বক্ষার কয়েকদিন আগে কাশীপুর উদ্ভানবাটীতে রোগশধ্যায় শায়িত অবস্থায় ঠাকুর নরেন্দ্রনাথের কাছে স্বরূপ প্রকাশ করে নিজমুখে ঘোষণা করেন- “যে-রাম, ঘে-কৃষ্।, সে-ই ইদানীং এইদেহে রামকুষ্৮। নরেন্দ্রনাথই ঠাকুরকে সারাবিশ্বে পরমণুরুষ যুগাবতাররূপে প্রচার করেন। ঠাকুরের দেহরক্ষার পর নরেন্দ্রনাথ ন্যান্ত 'গুরুভ্রাতাগণের সঙ্গে “সম্ন্যা” গ্রহণ করেন এবং "স্বামী বিবেকানন্দ” নামে অভিহিত হন। "ন্বামীজী” বলতে প্রধানত বিবেক্কানন্দকেই বোঝায় তিনি হিমালয় থেকে কন্যাকুমারিক1 পর্যস্ত এই স্থবিশাল ভারতভূমি একাকী 'পদত্রজে ভ্রমণ করেন এবং বছ রাজ।-মহারাজা থেকে শুরু করে, দীনতম মান্ঠষেব সঙ্গেও প্রত্যক্ষ যোগাযোগ করেন। একাধারে আধ্যাত্মিকতা এব? স্বাদেশিকতার মহানমন্ত্রে তিনি সেদিন ভারতবাসীদের উদ্ধদ্ধ করেছিলেন। এরপর পুনরায় পট পরিবর্তন হয়। আমেরিকার চিকাগো-ধর্মমহাসভায় “কোন হিন্দুকে স্থান ন৷ দেওয়ার প্রতিবাদে ম্বামীজী অতিকষ্টরে অর্থ সংগ্রহ কবে একাকী ন্বদূুর আমেরিকায় যান এবং সেখানে বহুবাধা অন্থবিধা সত্বে ধর্ম মহানভায় যোগদান করতে সক্ষম হন। তিনি হিন্দুধর্মের প্রতি নিধিরূপে সেখানে -বন্তৃতার দ্বার সকলের মন জয় করেন এবং যুক্তির দ্বারা সনাতন হিন্দুধর্কেই উদ্ধার শ্রষটরূপে প্রতিপন্ন করেন। তার সৌম্যকাস্তি, বিরাটব্যত্তিত্ব, অগাধ পাণ্ডিতা, যুক্তিপূর্ণ ভাষণ তারণ্যের জোয়ার এবং সর্বোপরি উদার হ্বদয়েব পরিচয় : সেখানে বহলোকের লোভের বস্ত হওয়ায়, অনেক পাশ্চাত্ত্যবাসী দলে

গু

দলে তার শিকল্বাত্ব গ্রহণ করেন। এরপরেও তিনি আরে! কয়েকবার পাশ্চাত্য দেশের প্রধান শহরগুলি ভ্রমণ করেন এবং ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণের মহাভাব প্রচারের মাধমে সার। বিশ্বে আলোড়ন স্ষ্টি করেন। ১৮৯৭ খ্রীষ্টাব্বের ১ল! মে তারিখে উত্তর কলকাতার, বাগবাজারে প্বলরাম- মন্দিরে” ( ভক্ত বলরাম বস্তুর বাড়ী ) স্বামীজী তার জীবনের অন্ততম কীন্তি, : বিশ্ববিখ্যাত “রামকুষ্চ মিশনের” প্রতিষ্ঠা করেন এবং সর্বসম্মতিক্রমে প্রতিষ্ঠাতা সভাপতিরূপে তার নেতৃত্ব গ্রহণ করেন। “আত্মনো মোক্ষার্থং জগদ্দিতায় চ” ( নিজের মুক্তি এবং জগতের ছিতসাধনার্থে) কাজ করে যাওয়া-এই ছিল মিশনের মুলমন্ত্র। মিশনের কর্মপদ্ধতিকে তিনি মোটামৃটি তিন ভাগে বিভক্ত করেনঃ (১ জনগণের লৌকিক আধ্যাত্সিক সেবা, (২) শিক্ষাদান, (৩) শ্রীরামকুষ্ণ-জীবনে বেদান্ত অন্যান্য ধর্মভাব ঘেবূপ বিকশিত হয়েছিল, তার প্রচার। প্রকৃতপক্ষে, শিবজ্ঞানে জীবসেবা-_ বিশেষতঃ ছুসস্থ দরিদ্রদের কল্যাণার্থে বিভিন্ন কর্মম্থচী পালন এবং জনসাধারণের জন্য আধ্যাত্মিক বৈজ্ঞানিক শিক্ষা প্রসার _-এই মহান উদ্দেশ্য সাধনের ব্রতই ছিল ম্বামাজীর, কর্মষোগ। পরে বেলুড়ে নীলাম্বর মুখোপাধ্যায়ের বাগান-বাড়ীতে “মঠ” স্থানাস্তরিত হয় এবং এই মঠেই তিনি তার বিদেশিনী শিলা মার্গারেট নোবেলকে দীক্ষা দান করে “সিস্টার নিবেদিতা” নামে ভূষিত করেন। ১৮০৮ শ্রীষ্টাব্ের ১ই ভিসেম্বর স্বামীজী বেলুড়ের নতুন মঠে ভগবান শ্রীরামন্ষ্ণের পূর্বরক্ষিত পৃত অস্থিভম্ম নিয়ে যান এবং ঠাকুরের “প্রতিকৃতি” স্থাপন করেন। ১৮৯০ শ্রীষ্টাব্দের ২রা জান্য়ারী সাধুবুন্দ বেলুড়ে নতুন মঠে চলে আসেন। ১৯১ শ্ীষ্টাব্দের ১১ই ফেব্রুয়ারী অবধি মিশনের সভাপতি পদে অধিষ্ঠিত থাকার পর, স্বামীজী তার গ্ররুভ্রাত। দ্বামী ব্রহ্জধানন্দকে মঠ মিশনের প্রথম অধ্যক্ষরূপে কাজের ভার দেন। স্বামীজীর নায় একাধারে শ্বদেশপ্রেমিক, বিশ্বপ্রেমিক, মানবগ্রেমিক, গুরুচরণাশ্রয়ী, সত্যান্থুরাগী, পরমত]াগী, পরমযোগী, চরম বিজ্ঞান-নির্ভর, হৃদয়বান, নিভাঁক, তেজন্বী, ইন্ড্রিয়জয়ী, আধ্যাত্মিক শক্তিধর» পরিব্রাজক, দবদ্্র-বান্ধব, আর্ত-ত্রাতা, স্থপণ্ডিত, স্থব্তা, সঙ্গীতজ্ঞ, লেখক, কবি-__-সর্বোপরি সৌম্যকান্তি “টসনিক-সন্্যাসী” আজ অবধি বিশ্বে জন্মগ্রহণ করেন নি। প্ররুতপক্ষে, তার মত আর একজন বিবেকানন্দের সন্ধান পাওয়। ঘায় না। ঠাকুর শ্রীবামকুষ্ের সমস্ত ত্যাগী সন্তানদের একজ্িত করে, সঙ্ঘবদ্ধভাবে জীবকল্যাণে কাজ করার জন্য “শ্রীরাঁমকৃষণ মঠ মিশনের” প্রতিষ্ঠার দ্বার স্বামীজী সমগ্র বিশ্ববানীকে ভগবান শ্রীরামরুষণের উদার ভাব-ধারা গ্রহণ করার ঘে মহাস্থঘোগ

ণ৭

দিয়েছেন, শুধু সেই কারণেই, অন্যান্ত অনেক মূল্যবান কাঁজ লত্বেও তিনি ভক্- হৃদয়ে আজ সত্যকারের মহারাজের আসনে অমর হয়ে বসে আছেন। তার বৈচিত্রময় জীবনের কিছু কিছু ঘটনার উল্লেখ করতে গেলেও; একথানি বহুৎ গ্রন্থের স্যটি হয়। ঠাকুরের মত শ্রী্রীমা সারদদেবীর প্রতিও তাঁর অসীম ভক্তির নিদর্শন ম্বরূপ তিনি শ্রীশ্ীমাকে সঙ্ঘ-জননীরূপে বরণ করেন এবং শী্ীমায়ের উপস্থিতিতে তারই নামে সঙ্কল্পদ্ধারা বেলুড যঠে প্রথম ৬হুর্গাপৃজজার প্রবর্তন করেন। গুরুভ্রাতাদেরও তিনি ঘেমন নিজের বুকের পাঁজরের মতন জ্ঞান করতেন. গৃহীভক্তদেরও তিনি তেমন পরমগ্রীতিব সঙ্গে গ্রহণ করতেন। সর্বোপরি তিনি মহাগ্রেমিকরূপে ঘাদের হৃদয়ে গ্রহণ করেছিলেন, সে সম্পর্কে তার নিজের ভাষা! __“আমার প্রেম সেই লক্ষ লক্ষ মানুষের প্রতি, যারা যুগে পর যুগ +'বে কেবল তলিয়েই যাচ্ছে, যাদের সাহাধ্য করার কেউ নেই, ঘাদের কথ কেউ একবারটি ভাবেও না ৷”

১৯০২ ্বীষ্টান্দের ৪ঠ জুলাই শুক্রবার রাত্রি প্রায় ৯্টার ময় অপরিণত বয়সে -যাত্র ৩৭ বৎসর মাস ২২দিনে. বেলুড মনে ভারত-আত্মাস্বামী'

| বিবেকানন্দ সমাধিযোগে স্বেচ্ছায় মহাপ্রয়াণ করেন।

সভার সারাজীবনের সাধনালর অনুভূতি এবং শ্রেষ্ঠ বাণী : “ববূপে অম্মুখে তোমার, ছাড়ি কোথা খু'জিছ ঈশ্বর? জীবে প্রেম করে যেইজন,

সেইজন সেবিছে ঈশ্বর ॥৮

স্বামী ব্রহ্মানন্দ

পৃরনাম ক্রীরাখালচন্ত্র ঘোষ তিনি ছিলেন ভগবান শ্রারামরুষ্ণের কৃপাপ্রাগ বিবাহিত, ভ্াগী ভক্ত-সম্তান এবং অন্তর পার্ধদ। চব্বিশ পরগণা জেলার" ব্িরহাট মহকুমাদ্র শিকরা কুলীন গ্রামে, ৮ই মাঘ, ২২৬৯ বজগাবে ( ইংরাজী ২১শে শ্রান্ুয়ারী, ১৮৬৩ খ্রীষ্টান ) চান্দ্র মাঘ, শুক্লা ছিতীয়া তিথিতে কায়স্থ পরিবারে তিনি জন্মগ্রহণ করেন। পিতা ছিলেন প্রসিদ্ধ জমিদার শ্রীআনন্দ মোহন ঘোষ এবং মাতা শ্রীমতী টৈলাসকামিনী দেবী। প্রথম জীবনে রাখালচন্দ্ নিজ গ্রামে পিত স্থাপিত পাঠশালায়'এবং কলকাতার পট্রেনিং একাডেমীপতে কিছুকাল লেখাপড়া করেন। শিশুকাল থেকেই তিনি ধমীয় বিষয়ে বিশেষ আকৃষ্ট ছিলেন। হুগলী জেলার কোন্গরে ঠাকুর শ্রীরামকু্ণের গৃহীভক্ত-

৮৮

শমলোমোহন মিন্রের ভগ্বী বিশ্বেশ্বরী দেবীর সঙ্গে তার বিবাহ হয় এবং বিবাহের

পব মনোমোহনের সাহাঘোই রাখালচন্দ্র দক্িণেশ্বরে ঠাকুর আরামের সঙ্গে

প্রথম মিলিত হন। পরে ঠাকুরের কাছে নিয়মিত যাতায়াতের ফলে, তিনি ঠাকুরের প্রতি এত অন্থুরক্ত হন ঘে, বাঁড়ীতে আবদ্ধ না থেকে সর্বদাই তার আশ্রয়ে থাকেন এবং উপযুক্ত সময়ে ঠাকুবের কাছ থেকে দীক্ষালাভ করেন। ঠান্ব তাঁকে *ব্রজের বাখাল” জ্ঞানে পরম স্েছ কবতেন। ঠাকুরের অভিপ্রায় অন্ঠযায়ী তার উচ্চ আধ্যাত্থিক জীবন গঠিত হয় এবং ঠাকুর তাকে 'ঈশ্বরকোটি” বলে নির্দেশ কবেন। ইত্ভিমধো বাখালচন্ত্রেব একটি পুত্র সন্তান৭ জন্মায় ; কিম্কু ঠাকুবের দেহবক্ষাব কিছুকাল পবেই তাৰ স্ত্রী বিশ্বেশ্ববী দেবী এবং একমাত্র ““ম বরীয় পুত্র সত্যচরণেব মৃত্যু হয়। পিতার বিশাল জমিদাবী অন্থান্য বিবাট মম্পত্তি ত্যাগ কবে বাখালচন্ত্র তীত্র বৈরাগ্য অবলঙ্গন করেন এবং সম্পূর্ণ রূপ বামকৃষ্জ মঠে যোগদান কবেন। % ভ্রাতাগণের কাছে তিনি ছিলেন “বাজ যহাবাজ” বা “মহাবাজ”। ঠাকুব ঈরামরুফের দেহবক্ষাব পর তিনি

“সনসাস” গ্রহণ কবেন এবং “স্বামী বন্ধানন্” নামে অভিহিত হন।

স্বামী বিবেকানন্দ তাকেই “রামরু্জ মঠ-মিশনে” প্রথম অগ্যক্ষরূপে 4ণণ করেন এবং তানও শ্রদীঘকাল - ১৯০১ শ্বীষ্টাকে ১২ই ফেব্রুয়ারী থেকে ান্টী জীবন ১৯২২ খ্রীষ্টাকের ১০ই এপ্রিল অবণ্ধ পদে অধিষ্টিত অবস্থায় তব বথাকর্তব্য পালন কবেশ। ঠাকুরে "মানসপুত্রগরূপে তিনি বন্ৃতক্তকে পর্নপথে পরিচালিত কবেশ এবং ভারতের বিভিন্ন স্থানে তিনি মিশনের শাখা প্রতিঠার দ্বাব! ভগবান শ্রীবামকুষ্ণের মহান ভাব-ধার' প্রচারের বাবস্থা কবেন | তিনি একজন স্বগায়কও ছিলেন এবং আধ্যাত্মিক জগতেব স্তস্তত্বরূপ ছিলেন। উত্তব কলকাতার বাগবাজাবে “বলরাম মন্দিবে” ১৯২২ বাটার ১০ই এপ্রিল" তাৰ দেহ্বক্ষ! হয়। |

ঠার অন্যতম উপদেশ :

“কর্মই জীবনের উদ্দেশ্য নয় _ জীবনের উদ্দেশ্ট ঈশ্বরলাভ। বারো আন] মন ভগবানের দিকে রেখে বাকী চার আনায় জগতের কাজ: করলে ভেমে যায়।”

স্বামী শিবানন্দ

পূর্বনাম শ্রতারকনাথ ঘোষাল তিনি ভগবান শ্রীরামকৃষের কৃপা প্রাপ্ত বিবাহিত, ত্যাগী ভক্ত-সম্ভতান এবং অস্তরজ-পার্ধদ। চব্বিশ পরগণা ছ্েলীর বারালাত মহুকুম।-সহরে, ২রা অগ্রহায়ণ, ১২৬১ বঙ্গাবে (ইংরাজী ১৬ই নভেম্বর, ১৮৫৪ স্রীষ্টাব) চান্দ্র কাত্তিক, কষা একাদশী তিথিতে ব্রাহ্মণ পরিবারে তিনি জন্মগ্রহণ করেন। পিতা ছিলেন বারাসাত আদালতের প্রতিষ্ঠালন্ধব মোক্তার শ্রীরামকানাই ঘোষাল এবং মাতা শ্রীমতী বামান্বন্দরী দেবী বারাসাত মিশনারী স্থলে প্রাথমিক শিক্ষা শেষ করে, তারকনাথ উচ্চ বিগ্ভালয়ে পাঠ শুরু করেন, কিন্তু প্রবেশিক। শ্রেণীতে পাঠ্যাবস্থায় শিক্ষা! অসমাপ্ত রেখেই তিনি প্রথম জীবনে পারিবারিক কারণে বঙগদেশের বাইরে গাজিয়াবাদ, মোগলসরাই প্রভৃতি অঞ্চলে বেলওয়ে বিভাগে চাকরী গ্রহণ করেন মাতৃহীন। ভদ্বী নীরদার বিবাহের জন্য বিনিময়-বিবাহে রাজী হয়ে, 'তারকনাথ বারাসাত মহকুমার মহেশ্বরপুর গ্রামে পঞ্চানন চট্টোপাধ্যায়ের কন্ঠ| নিত)কালী দেবীকে বিবাহ করেন। পরে রেলের চাকরা ত্যাগ করে তিনি কলকাতায় “য্যাকিনন ম্যাকেন্ডি”র অফিসে পুনরায় চাকরী গ্রন্থ করলেও পরবর্তীকালে আধ্যাম্মিক প্রেরণায় তা-ও ভান ত্যাগ করন।

ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণের গুহীভক্ত শ্রীরামচন্ত্র দত্তের কলকাতার মিমল! পল্লীর বাড়ীতে তারকনাথ প্রথম ঠাকুরকে দর্শন করেন এবং পরে দক্ষিণেশ্বরে তাব কাছে নিয়মিত যাতায়াত শুরু করেন। এই সময় তিনি ঠাকুরের কাছে বিশেষ কপা দীক্ষালাভের পর দার মনে বৈরাগ্যের সঞ্চার হয় এবং পত্বীর মৃত্যুব পরেই তিনি সংসারের নকল বন্ধন ছিন্ন করে পিতাব অস্থমতি আশীর্বাদ নিয়ে দক্ষিণেশ্বরে অম্পূর্ণভাবে ঠাকুরের আশ্রয়ে চলে আসেন। এখানৈ ঠাকুরের অভিপ্রায় অনুযায়ী তার উচ্চ আধ্যাত্মিক জীবন গঠিত হয়। ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণের দেহরক্ষার পর তিনি “সম্্যান” গ্রহণ করেন এবং *ম্বামী শিবানন্দ” নামে অভিহিত হন। গুর্ুভ্রাতাগণের কাছে তিনি ছিলেন “মহাপুরুষ মহারাজ ।”

প্রথম অধ্যক্ষ হ্বামী ব্রন্মানন্দের দেহরক্ষার পর তিনি “রামকুষচ মঠ-মিশনের, দ্বিতীয় অধ্যক্ষজ্ূপে মনোনীত হন এবং দীর্ঘকাল _ ১৯২২ খীষ্টাব্দের ৫ই মে €থেকে বাকী জীবন ১৯৩৪ ্ীষ্টাব্বের ২০শে ফেব্রুয়ারী অবধি পদে অুধিষ্টিত অবস্থায় নানাভাবে মিশনের কাজে আত্মনিয়োগ করেন। তিনি ভারতের বনু তীর্থ ভ্রমণ করেন এবং ব্দোস্তের ভাবধার৷ প্রচারের জন্ত সিংহল অবধি গমন করেন। ছুভিক্ষ, মহামারীতে তার সেবাকার্ধ এবং দানকার্ধ ছিল অতুলনীয় 'মধাচিতভাবে দীক্ষাদানের দ্বারা তিনি প্রচুর 'ভক্তকে ভগবান শ্রীরামকৃষ্ের

১৩.

মহান ভাবধারায় উদ্ধদ্ধ করেন এবং কয়েকটি গুরুতর বিপর্যয়ের হাত থেকে সেই সময় যিশনকে রক্ষা করেন। তিনি একজন গায়কও ছিলেন। ১৯৩৪ শ্রীষ্টাব্দের ২০শে ফেব্রুয়ারী বেলুড় মঠে তার দেহরক্ষা হয়।

ভার অন্যতম বাণী: “ভ্রীরামকৃষ্ণই যুগে সকল জীবের গুরু ইষ্ট ।”

স্বামী অখগানন্দ

পূর্বনাম শ্রীগজাধর গঙ্গোপাধ্যায় তিনি ছিলেন ভগবান শ্রীরামকৃষ্ণের কৃপাপ্রাপ্ত অবিবাহিত, ত্যাগী ভক্ত-সম্তান এবং অস্তরঙগ-পার্ষদ। উত্তর কলকাতার আহ্রীটোলায় মাণিক.বন্থ ঘাট স্ট্রীটের একটি ভাড়াটিয়। বাড়ীতে, ১৫ই আশ্বিন, ১২৭১ বঙ্গাব্বে (ইংরাজী ৩০শে সেপ্টেম্বর ১৮৬৪ খ্রীষ্টাব্ষ ) মহালয়ার দ্রিন অমাবস্তা তিথিতে ত্রান্ধণ পরিবারে তিনি জন্মগ্রহণ করেন। তার পিত ছিলেন শ্রী শ্রীমস্ত গজোপাধ্যায় তর্করত্ব টৈশবে বাড়ীতে তিতনি লেখাপড়া করেন।

উত্তর কলকাতার বাগবাজারে ভক্ত দীননাথ বস্থুর বাড়ীতে গজাধর প্রথম ঠাকুর শ্রীরামকষ্ণকে দর্শন করেন পরে দক্ষিণেশ্বরে ঠাকুবের কাছে গিয়ে তিনি একবাত্রি বাস করেন এবং দ্বিতীয়বার দক্ষিণেশ্বরে উপস্থিত হলে ঠাকুর তাকে দীক্ষাদান করেন। সেই সময় থেকেই ঠাকুরের কাছে তার নিয়মিত যাতায়াত স্তর হয় এবং ঠাকুরের অভিপ্রায় অস্গুঘায়ী তার উচ্চ আধ্যাত্মিক জীবন গঠিত হয়। ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণের দেহরক্ষার পর তিনি “সন্গ্যাস” গ্রহণ করেন এবং "স্বামী অথগ্ডানন্দ” নামে অভিহিত হন। গুরুভ্রাতাগণের কাছে তিনি ছিলেন “গঙ্গাধর মহারাজ ।”

পরবত্তীকালে ভারতবর্ষের নান৷। তীর্থ প্রমণ ছাড়াও তিনি ভগবান শ্রারাম- কৃষ্ণের মহান্‌ ভাব-ধার। প্রচারে তিব্বত অবধি ভ্রমণ করেন। তিব্বতে ভ্রমণকালে তার স্কন্ধে লামার] খাপ. সমেত তলোয়ার দিয়ে আঘাত করে, কিন্তু তিব্বতী পুলিশ তাকেই গ্রেপ্তার করে। পরে অবশ্ঠ তিব্বতী ব্যবসায়ীদের সহযোগিতায় তিনি মুক্তি পান। একদ কাশ্মীরের শ্রীনগরে ভরমণকালেও বৃটিশ সরকার তাকে “গুচর” সন্দেহে গ্রেপ্তার করে এবং পাচদ্িন বন্দী করে রাখার পর তাকে মৃক্তি দেয়। আরে! একবার বরানগর মঠে আসার সময় হাওড়া জেলার বালী ষ্টেশনে পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে এবং প্রমাণাভাবে ছেড়ে দেয়।

দ্বিতীয় অধ্যক্ষ স্বামী শিবানন্দের দেহরক্ষার পর তিনি “রামকৃষ্ণ মঠ মিশনে”

১১

তৃতীয় অধাক্ষরণে মনোনীত হন এবং ১৯৩৪ প্বীষ্টাবকের ১৩ই মার্চ থেকে বাকী জীবন ১৯৩৭ ত্রীষ্টাব্বের ৭ই ফেব্রুয়ারী অবণি পদে অধিষ্টিত থাকেন। লক্ঘবদ্ধভাবে জনগণের সেবাকার্য তিনিই মিশনে প্রথম গ্রবার্থন কবেন এবং ্বয়ং অক্লান্ত জনসেবার দ্বারা বিশেষ দৃষটন্জ স্থাপন করেন। ১৯৩৭ ্রীষ্টাবের ৭ই ফেব্রুয়ারী বেলুড় মঠে তার দেহরক্ষা হয়

তার একটি অমুল্য উপদেশ : “মানুষের লেবা কর! এবং মানুষকে ভালবাসাই সর্বাপেক্ষা!

শ্র্ঠ ধর্ম।”

স্বামী বিজ্ঞানানন্দ

পূর্বনাম শ্রীহরিপ্রসন্ন চট্টোপাধ্যায় তিনি ছিলেন ভগবান শ্রীরামুষ্েণ কুপাপ্রাপ্ত, অবিবাহিত, ত্যাগী ভক্ত-সন্তান এবং অন্তর্ঙ্গ-পার্দ। পিতাক কর্মস্থল উত্তরপ্রদেশের এটোয়ায়, ১৫ই কান্তিক, ১২৯৫ বঙ্ান্ধে (ইংরাজী ৩*শে অক্টোবর, ১৮৬০ তরষ্টাব্) বৈকুঠ চতুর্দশী তিথিতে ব্রাহ্মণ পরিবারে তিনি জন্মগ্রহণ করেন। পিতৃগৃহ ছিল চব্বিশ পবগণ। জেলার বেলঘরিয়ায়। পিত' ছিলেন শ্রীতারকনাথ চট্টোপাধ্যায় এবং মাতা শ্রীমতী নকুলেশ্ববী দেব কাধ উপলক্ষে হুরিপ্রপন্নের পিতা উত্তরপ্রদেশের এটোয়ায় থাকাব দরুন, শৈশবে তাকে কাশীতে পিতৃগৃহে বিদ্যাভ্যান করতে হয়; পরে বেলঘবিয়ার আদি পিতৃগৃহ খেকে ট্রেনে যাতায়াত করে তিনি কলকাতায় লেখাপড়া স্বর করেন। হেয়ার স্কুল থেকে প্রবেশিকা পরীক্ষায় প্রথম বিভাগে উত্তীর্ণ হয়ে তিনি “সণ্ট, জেডিয়ার্স কলেজে ভর্তি হন এবং সেখান থেকে প্রথম বিভাগে এফ. এ. পদ্মীক্ষায় উত্তীর্ণ হন। পরে পাটনা থেকে বি এ. পাশ কবে পুণায় গিয়ে তিনি ইঞ্রিনীয়ারিং কলেজে ভত্তি হুন এবং পরীক্ষায় দ্বিতীয় স্থান অধিকার করেন। অতঃপর তিনি গাজীপুরে ডিস্ট্রিক্ট ইঞ্জিনীয়ানের সরকারী চাকরী গ্রহণ করেন

ছাত্রাবস্থাতেই হুরিপ্রসন্ন বেলঘরিয়ায় আচার্য কেশবচন্্জ সেনের অবস্থানেক লময় একটি বাগান-বাড়ীতে ঠাকুর শ্রীরামকুষ্ণকে প্রথম দর্শন করেন। পরে তিনি দক্ষিণেশ্বরে ঠাকুরের কাছে যাতায়াত শুর করেন এবং'মাঝে মাঝে নেখানে রাজিবাসও করেন। এই ছাত্রাবস্থাতেই ঠাকুর তাকে দাক্ষাদান করেন এবং ঠাকুরের অভিপ্রায় অন্ুঘাত্নী তার উচ্চ আধ্যাত্বিক জীবন গঠিত হয়। ঠাকুরের দেহরক্ষার সময় হরিপ্রস্ন কলকাতায় ছিলেন না; বাকীপুরে অধ্যয়ন উপলক্ষে তিনি তখন সেখানে বাম করছিলেন।. পরে তিনি ভিস্টিক্ট ইঞ্ছিনীয়ারের

১৭

সরকারী চাকরী ত্যাগ করে সম্পূর্ণরূপে রামকু্ণ মঠে যোগদান করেন এবং “সন্সযাস” গ্রহণের পর তিনি *ম্বামী বিজ্ঞানানম্দ” নামে অভিহিত হন। গুরু শ্রাতাগণের কাছে তিনি ছিলেণ “বিজ্ঞান মহারাজ” বা প্হরিগ্রসন্ন মহারাজ ।”

তৃতীয় অধ্যক্ষ স্বামী অখগ্ডানন্দের দেহরক্ষার পর, তিনি "রামরুষ্জ মঠ- মিশনে”র চতুর্থ অধ্যক্ষ রূপে মনোনীত হুন। ঠাকুরের দীক্ষত ত্যাগী- সম্তানদের মধ্যে তিনিই মিশনের শেষ অধ্যক্ষ এই পদে তিনি ১৯৩৭ শ্রীষ্টাবের «ই মার্চ থেকে বাকী জীবন, মাত্র এক বছর - ১৯৩০ গ্রীষ্টান্জের ২৫শে এপ্রিল পধস্ত অধিষ্ঠিত থাকেন এবং মিশনের নানা কাজে অংশ গ্রহণ করেন। ভারতের বু প্রসিদ্ধ স্থান শ্রমণ কর] ছাড়াও তিনি নিজেকে জপ-ধ্যানে নিযুক্ত রেখেছিলেন এবং ভারতের বাইবে রেখুন সিংহলেও তাকে মিশনের কাযাবলী দর্শনের ন্ঠ ঘেতে হয়েছিল ১৯৩৮ খ্রষ্টান্ের ১৪ই জানুয়ারী পৌষ-সংক্রান্তির দিন তিনি, ক্বামী বিবেকানন্দের পুর নিদেশানুযায়ী বেলুড়ে মন্দির শ্রতিষ্ঠার কাজ সমাপন কবেন এবং ঠাকুরের "আত্মারামের কৌট]” বেদীতে স্থাপন করে নেখানে ভগবাণ শ্রারানকৃষ্জের মননর-বিগ্রহ প্রতিষ্টা করেন। বল৷ বাহুল।, এইটিই তার জীবনের একটি ডলেখষোগ্য ঘটন।।

শষ জীবনে ছিপি উত্তরগুদেশের এলাহাবাদে বাস করতেন) সেখাণেহ ৪৩৮ গ্রষ্টাব্দেব ২৭শে এপ্রিল তার দেহবক্ষা হয় এবং সেখানকার আবেণা সঙ্গমে তাকে সলিল-সখ।ধি কর। হয়।

তার এক অমুল] ৬পদেশ :

“ছেলেবেলায় “বর্ণ পাঁরচয়ে” য) যা” গঠড়েছঃ ভাই জীবনে সাধন কর _ অথাৎ 'সদ। সত্য কথ। বলিবেঃ লা বিয়া পরের দ্রব্য জইলে চুরি করা হয়? _ এই ছুটি নীতি যদি সাধন করতে পার, আর সবই স্বাহুলে সহজ হয়ে যাবে।”

স্বামী প্রেমানন্দ পূর্বনাম শ্রাবাবুরাম ঘোষ [তিনি ছিলেন ভগবান শরামককফের কপাপ্রাণ্।, অবিবাহিত, ত্]াগী ভভ-সস্তান এবং অস্তরজ-পার্যদ। হুগলী জেলার আটপুর গ্রামে, ২৬শে অগ্রহায়ণ, ১২৬৮ বজাবে (ইংরাজী ১০ই ডিসেম্বর, ১৮৬১ খ্রীষ্টাব ) চান্দ্র অগ্রহায়ণ_ শুকনা নবমী তিথিতে কায়স্থ পরিবারে তান জন্মগ্রহণ করেন। পিতার নাম তারাপদ ঘোষ. এবং যাত। শ্রমতী মাতঙ্গিনী দেবী। তার জো শ্রী শ্রমতী কৃষতামিলীর সঙ্গে, শ্ীরামকুফ্ণের গৃহীভক্ত বলরাম বস্থুর

১৩

, বিবাহ হয়। শৈশবে গ্রামের পাঠশালায় পাঠ শেষ করে তিনি কলকাতায় ভার কাক! শ্রীঞ্টরুচরণ ঘোষের বাড়ীতে থাকাকালীন প্রথমে "এরিয়ান স্থলে” এব পরে স্টামপুকুরের “মেট্রোপলিটন ইনষ্টিটি উশনে” অধ্যয়ন করেন। পরে ঠাকুর শীরামকষের দলে মিলিত হুবার পর তার লেখাপড়ায় তেমন মন ন! থাকায়, তিনি প্রবেশিকা পরীক্ষায় অন্ুতীর্ণ হন এবং লেখাপড়। ত্যাগ করেন।

কলকাতার জোড়ার্সাকোর এক হুরিসভায় বাবুরাম প্রথম ঠাকুর শ্রীরাম- কৃষ্কে দন করেন? কিন্তু তখন তিনি ঠাকুরের পরিচয় জানতেন না। পরে তার স্কুলের প্রধান শিক্ষক এবং কথামৃত-প্রণেতা মাষ্টারমশাই শ্রীমহেন্দ্রনাথ গপু দক্ষিণেশ্বরে ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণের কাছে বাবুরামকে প্রথম নিয়ে ধান এবং তিনিও ঠাকুরের প্রতি আকৃষ্ট ছন। এরপর থেকেই তিনি নিয়মিত দক্ষিণেশ্বরে ঘাতায়াভ সুরু করেন এবং ঠাকুরের পৃত সঙ্গ লাভ করেন। ঠাকুরও বাবুরামের মাতার কাছ থেকে তাকে ভিক্ষা চেয়ে নেন এবং ঘথাসময়ে বাবুরামকে দীক্ষা দান করে দক্ষিণেশ্বরে নিজের কাছেই রেখে দেন। ঠাকুর তাকে “ঈশ্বরকোটী” বলে নির্দেশ করেছিলেন এবং ঠাকুরের অভিপ্রায় অঙ্গুযায়ী তার আধ্যাত্মিক জীবন গঠিত হয়েছিল। ঠাকুর শ্রীরামকৃষেঃর দেহরক্ষার পর তিনি “সন্ন্যাস” গ্রহণ করেন এবং প্থামী প্রেমানন্দ” নামে অভিহিত হন। গুরুভ্রাতাগণের কাছে িনি ছিলেন “বাবুরাম মহারাজ”

পরবতাঁকালে সর্বদা ঠাকুর শ্রারামক্ুষ্ণর ল্মরণ মননে রত অবস্থায় বাবুরামের জীবনে ধ্যানে-জ্ঞানে' এবং 'সেবা-ভক্কি”তে চরম অভিব্যক্তি ঘটে ভক্তসেবায় তিনি ছিলেন প্রেমময় এবং ক্ষমাধর্মে তিনি ছিলেন আদর্শ পুরুষ ঠাকুরের চাইতেও তিনি ্রীশ্রীমা সারদাদেবীর প্রতি অধিক শ্রদ্ধাবান ছিলেন এবং তাকে পরিপূর্ণ ভগবতী জ্ঞানে মেবা করতেন। তার জীবনের অধিকাংশ সময় মঠে অতিবাহিত হলেও, মাঝে মাঝে তিনি তীর্থ ভ্রমণেও ঘেতেন। পূর্ববঙ্গে ঠাকুর শ্রীরামকষ্ণের উদার ভাবধার প্রচারে তিনি বিশেষভাবে নিজেকে নিযুক্ত করেন এবং ত্বার প্রভাব সেখানকার মুসলমান সমাজেও বিস্তার লাভ করে। ১৯১৮ ্ীষ্টাব্বের ৩,শে জুলাই উত্তর কলকাতায় বাগবাজারের বলরাম-মন্দিরে তিনি

দেহরক্ষ। করেল।

তার একটি প্রত্যক্ষ অনুভূতি : “ভ্রীত্রীমা ননুষ্যদেহধা্রিণী হলেও ষার অপ্রাকৃত ভাগবত: তনু ; জীবের কল্যাণের জন্য মনুষ্যবং জীল। করেছেন।”

১৪

স্বামী নিরঞ্জনানন্দ

পূর্বনাম নিত্যনিরঞ্জন ঘোষ